মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান আটোয়ারীতে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী দুর্গাপুরে খালের ওপর ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন দুর্গম পাহাড়ে গৃহহীন অধিবাসীদের মুখে হাসি ফুটালো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান। ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় নওগাঁ রেসিডেনসিয়াল স্কুলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তায় অন্য দেশগুলো ‘আগ্রহী’ নয়: ট্রাম্প কোনো ব্যাংকই আর দলের হয়ে কাজ করতে পারবে না: গভর্নর

নতুন বিড়াল পুষতে হলে যা জানা দরকার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৭৬ Time View

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাস্তা থেকে যদি বিড়াল কুড়িয়ে আনেন তাহলে প্রথমেই শাবকটিকে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যান কোনও পশু চিকিৎসকের কাছে। তার পরামর্শ অনুযায়ী দিতে হবে কৃমির ওষুধ। সদ্যোজাত শিশুকে যা খাওয়াতে হয়, তাই খাওয়াতে পারেন শাবকটিকে। প্রথম মাসে দিতে পারেন যে কোনও শিশুখাদ্য। দেড় মাস বয়স হলে ভাত আর মাছ সেদ্ধ করে দিন। এখন বাজারে নানা প্যাকেটজাত খাবারও পাওয়া যায়। পেস্ট আর শুকনো- এই দু’রকম খাবারই শাবকটিকে দিতে পারেন। দিনে তিন-চারবার খেতে দিতে হবে।

দেড় থেকে দু’মাস বয়স হলে শাবকটিকে আবার কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। আর এর এক সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই শাবকটিকে ট্রাইক্যাট ও রেবিস-এই দুই টিকা দিতে হবে। তিন মাস পর আবার ওই টিকা দিতে হবে। বিড়ালরা মলমূত্র ত্যাগ করে মাটি বা বালি চাপা দেয়। যদি আপনি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা হন, তাহলে পোষ্যর জন্য অবশ্যই কিনতে হবে মল-মূত্র ত্যাগ করার পাত্র বা স্যান্ড বেড। এই জাতীয় পাত্রে বালি দেওয়া থাকে। এতে বিড়ালদের সুবিধা হবে। এমন পাত্র মিলবে পোষ্য কেনা বেচার যে কোনও দোকানে। আর আপনার বাড়ির সামনে যদি বাগান বা মাঠ থাকে, তাহলে তো সমস্যাই নেই। মলত্যাগের জন্য পোষ্যকে সেখানে ছেড়ে দিলেই হবে।

বিড়াল খাবার হজম করতে ঘাস খায়। আবার গা চুলকালেও ঘাসেই গড়াগড়ি খায়। বাড়ির সামনে ঘাস থাকলে তো ভাল। যদি না থাকে বাজার থেকে কিনে আনুন ঘাস। সেটাকেই বিছিয়ে রাখুন। বিড়াল গা চুলকালে লোমের বল তৈরি হয়। সেটা পোষ্যর পেটে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে সে। ওই ঘাস খেয়ে বমি করেই নিজেকে সুস্থ রাখে বিড়াল।
 
বিড়াল ডিপথিরিয়া রোগের বাহক। বিড়ালকে টিকা দিয়ে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। বাড়িতে গর্ভবতী নারী থাকলে বিড়ালের সঙ্গে তার না শোয়াই শ্রেয়। কারণ, অনেক সময় বিড়াল থেকে তিনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এক্ষেত্রে একটু সাবধানতা প্রয়োজন। নতুন স্থানে এসে বিড়ালের সেই পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। রাতে জেগে থাকা, না খেয়ে থাকা, না ঘুমানো, কান্নাকাটি করা, বাইরে চলে যেতে চাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আবার অনেক বিড়ালের মধ্যে থেকে আসলে সে একাকীত্ব অনুভব করবে। কিন্তু ১০-১৫ দিনের মধ্যে সে নিজেকে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit