শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ‘নিজের চেষ্টায় উন্নত হতে হবে’, চীনের উদাহরণ টানলেন মির্জা ফখরুল ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর ৮৯ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৬৪৩ জনের ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হচ্ছে রবিবার রাজধানীতে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ বাজেটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে: অর্থমন্ত্রী স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলায় অভিষেককে সিআইডির সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ প্রস্তাবিত বাজেট জাতির বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন নয়: মামুনুল হক যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তিতেই হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান

নতুন বিড়াল পুষতে হলে যা জানা দরকার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮১ Time View

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রাস্তা থেকে যদি বিড়াল কুড়িয়ে আনেন তাহলে প্রথমেই শাবকটিকে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যান কোনও পশু চিকিৎসকের কাছে। তার পরামর্শ অনুযায়ী দিতে হবে কৃমির ওষুধ। সদ্যোজাত শিশুকে যা খাওয়াতে হয়, তাই খাওয়াতে পারেন শাবকটিকে। প্রথম মাসে দিতে পারেন যে কোনও শিশুখাদ্য। দেড় মাস বয়স হলে ভাত আর মাছ সেদ্ধ করে দিন। এখন বাজারে নানা প্যাকেটজাত খাবারও পাওয়া যায়। পেস্ট আর শুকনো- এই দু’রকম খাবারই শাবকটিকে দিতে পারেন। দিনে তিন-চারবার খেতে দিতে হবে।

দেড় থেকে দু’মাস বয়স হলে শাবকটিকে আবার কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। আর এর এক সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই শাবকটিকে ট্রাইক্যাট ও রেবিস-এই দুই টিকা দিতে হবে। তিন মাস পর আবার ওই টিকা দিতে হবে। বিড়ালরা মলমূত্র ত্যাগ করে মাটি বা বালি চাপা দেয়। যদি আপনি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা হন, তাহলে পোষ্যর জন্য অবশ্যই কিনতে হবে মল-মূত্র ত্যাগ করার পাত্র বা স্যান্ড বেড। এই জাতীয় পাত্রে বালি দেওয়া থাকে। এতে বিড়ালদের সুবিধা হবে। এমন পাত্র মিলবে পোষ্য কেনা বেচার যে কোনও দোকানে। আর আপনার বাড়ির সামনে যদি বাগান বা মাঠ থাকে, তাহলে তো সমস্যাই নেই। মলত্যাগের জন্য পোষ্যকে সেখানে ছেড়ে দিলেই হবে।

বিড়াল খাবার হজম করতে ঘাস খায়। আবার গা চুলকালেও ঘাসেই গড়াগড়ি খায়। বাড়ির সামনে ঘাস থাকলে তো ভাল। যদি না থাকে বাজার থেকে কিনে আনুন ঘাস। সেটাকেই বিছিয়ে রাখুন। বিড়াল গা চুলকালে লোমের বল তৈরি হয়। সেটা পোষ্যর পেটে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে সে। ওই ঘাস খেয়ে বমি করেই নিজেকে সুস্থ রাখে বিড়াল।
 
বিড়াল ডিপথিরিয়া রোগের বাহক। বিড়ালকে টিকা দিয়ে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। বাড়িতে গর্ভবতী নারী থাকলে বিড়ালের সঙ্গে তার না শোয়াই শ্রেয়। কারণ, অনেক সময় বিড়াল থেকে তিনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এক্ষেত্রে একটু সাবধানতা প্রয়োজন। নতুন স্থানে এসে বিড়ালের সেই পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। রাতে জেগে থাকা, না খেয়ে থাকা, না ঘুমানো, কান্নাকাটি করা, বাইরে চলে যেতে চাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আবার অনেক বিড়ালের মধ্যে থেকে আসলে সে একাকীত্ব অনুভব করবে। কিন্তু ১০-১৫ দিনের মধ্যে সে নিজেকে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit