মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিট দ্রুত হাঁটলেই কি কমবে পেটের মেদ? যা বলছে গবেষণা শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনে হামলার পরিকল্পনা বাতিল ইরানের কিং খানের নতুন সিনেমার লুক ভক্তদের ক্যামেরায় ইরানে যে একটি ভুল করেননি ট্রাম্প স্মার্ট ও মানসম্পন্ন শিক্ষার রূপান্তরে মাউশির একগুচ্ছ উদ্যোগ মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম ভারতে ব্রাজিলের ম্যাচ ‘গরিবের বিয়েতে শাহরুখ খানকে নাচানোর মতো বিষয়’ নেত্রকোনায় আদালতের আদেশ ঘিরে জমি নিয়ে উত্তেজনা, জোরপূর্বক দখলচেষ্টার অভিযোগ ‘ফাইনালের আগে কী হয়েছিল?’ সন্দেহ আর্জেন্টাইন ফুটবলারের মায়ের মনেও

সাহস বৃদ্ধিতে নবীজি যে দোয়া শিখিয়েছেন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪
  • ৭২ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রিয়নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে অনেক দোয়া শিখিয়েছেন। বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনি সাহাবিদের জন্য বিভিন্ন দোয়া করেছেন বলে হাদিসের বর্ণনায় পাওয়া যায়। তার মধ্যে একটি দোয়া এমন, যেটি পড়লে মনের জোর ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। দোয়াটি হলো:-

اللهم ثبتني واجعلني هاديا مهديا উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাব্বিতনি, ওয়াজআলনি হাদিয়াম মাহদিয়্যা। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাকে স্থির রাখুন, এবং আমাকে হেদায়াতপ্রাপ্ত ও হেদায়াতকারী বানিয়ে দিন।
 
হজরত জারির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (তাকে) বলেছেন, তুমি কি জুল-খালাসাহকে ধ্বংস করে আমাকে চিন্তামুক্ত করবে? সেটি ছিল একটি মূর্তি। লোকেরা এর পূজা করত। সেটিকে বলা হতো ইয়েমেনি কাবা। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসুল! আমি ঘোড়ার পিঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন তিনি আমাকে বুকে জোরে থাবা মারলেন ও এই দোয়া করলেন। (বুখারি: ৬৩৩৩)
 
উল্লেখ্য, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু অন্যের জন্য দোয়া করেছিলেন তাই তিনি ‘আল্লাহুম্মা ছাব্বিতহু ওয়াজআলহু হা-দিয়াম মাহদিয়্যা’ বলেছিলেন। কিন্তু নিজের জন্য দোয়া করার ক্ষেত্রে বলতে হবে ‘আল্লাহুম্মা সাব্বিতনি ওয়াজআলনি হা-দিয়াম মাহদিয়্যা।’

এছাড়াও মনের ভয় দূর করতে এবং কষ্টকর দায়িত্ব সহজে পালন করতে কিছু আমলের কথা পাওয়া যায়। যেমন- ‘লা হাউলা ওয়ালা ক্বুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ (অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সামর্থ্য-শক্তি নেই) পড়া কার্যকরী একটি আমল। আবার দুই রাকাত নামাজ পড়ার পর ১০০ বার ইয়া-মুহাইমিনু (হে রক্ষাকর্তা) পড়ারও পরামর্শ দিয়ে থাকেন আলেমরা।
 
মনোবল ও সৎসাহস বাড়াতে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলেরও বেশ সুফল রয়েছে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা তালাক: ৩)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ অগাস্ট ২০২৪,/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit