এদিকে সাভারের রাজাসন, রেডিও কলোনি, লামাবাজার, ব্যাংকটাউন, ফুলবাড়িয়া, গেন্ডা ও তালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই আতঙ্কে রাত জেগে নিজ নিজ এলাকা পাহাড়া দেয় এলাকাবাসী। ফুলবাড়িয়া এলাকার আবুল কালাম আযাদ ইউনুস নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিক জানান, আমি রাত ১টার দিকে মসজিদের মাইকে শুনতে পাই এলাকায় ডাকাত ঢুকে পড়েছে। এরপরে তারাতাড়ি ঘুম থেকে উঠে এলাকাবাসীর সাথে নির্ঘুম রাত পাহারা দেই।
অন্যদিকে, ডাকাতের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশুলিয়ার তৈয়বপুর, বাংলাবাজার, গোরাট, গুমাইল, সরকার মার্কেট, নিশ্চিন্তপুর, জিরাবো, জিরানি, কবিরপুর, জামগড়া, কুড়গাঁও, নয়ারহাট ও কাঠগড়া পশ্চিমপাড়ায় ডাকাতরা ঢুকে পড়েছিল বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে ডাকাত ঢুকে পড়েছে বলে মসজিদের মাইকে জানানো হয়। এরপরে নিরাপত্তা দিতে রাতভর পাহারা দেন এলাকাবাসী।
কাঠগড়া পশ্চিমপাড়ায় বাসিন্দা সাংবাদিক মোঃ মামুন মোল্লা বলেন, ১৫-২০ জন ডাকাত দেখতে পায় এলাকার কয়েকজনে। তাদের হাতে অস্ত্র ছিলো এবং আমরা লোক সংখ্যা কম থাকায় ঘর থেকে বের হয়নি। এরপরে মসজিদের মাইক দিয়ে সবাইকে সতর্ক করেন এলাকাবাসী। পরে আমরা লোকজন জড়ো করে পাহারা দিতে নেমে পরি। এনিয়ে আমাদের মাঝে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ইয়ারপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ ফারুক হোসাইন বলেন, ডাকাত আতঙ্কে আমি এলাকাবাসীদেরকে সাথে নিয়ে নিরাপত্তা দিতে সারা রাত পাহারা দিয়েছি। আজকের বিকালে এলাকাবাসীকে নিয়ে বসবো এবং থানার কমান্ডার যদি অনুমতি দেয় তাহলে আমরা এলাকায় পাহারা দিবো।