বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ক্ষমতা হারানোর মুখে নেতানিয়াহু, বিকল্প সরকার গঠনে বিরোধীদের তৎপরতা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জয়ের স্বপ্ন ডেমোক্র্যাটদের শরীরের সীমাবদ্ধতা নিয়ে মুখ খুললেন অমিতাভ সৌদির বিমানবন্দর ও ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের ১১ কোটি ৫০ লাখ বছরের পুরোনো জীবাশ্মে চাঞ্চল্যকর তথ্য হুথিদের ওপর ১২ শতাধিক হামলা চালিয়েছে ইয়েমেন, শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ কাতারের ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতুসহ তিন মেগা প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে যেসব ক্ষমতা কমে যাবে ট্রাম্পের ১২ কেজির এলপিজি আগেই বিক্রি হচ্ছিল ২৫০০ টাকায়: আসিফ মাহমুদ ব্যবসায়ীদের সন্তুষ্ট করতে গিয়ে সরকার জনগণকে অসন্তুষ্ট করছে: বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

৮ম নগর সংলাপে বক্তারা: নগরের উন্নয়নে সম্মিলিত ও সমন্বিত কার্যক্রম জরুরী 

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ১৫৫ Time View

জালাল আহমদ, ঢাবি প্রতিনিধি : স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে টেকসই নগরায়ন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২৮ মে মঙ্গলবার দিনব্যাপী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হলো অষ্টম নগর সংলাপ-২০২৪। সংলাপটি যৌথভাবে আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ এবং ২০টি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কনসোর্টিয়াম আরবান আইএনজিও ফোরাম। 

সকালে অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তব্য রাখেন হ্যাবিটেট ফর হিউম্যানিটির ন্যাশনাল ডিরেক্টর জেমস স্যামুয়েল, ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তালহা জামাল, ব্রাকের পরিচালক লিয়াকত আলী, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জ্যোতিরাজ পাত্র, একশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর প্রমূখ।

মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন এবং সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। সংলাপের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আ ম নাছির উদ্দিন। দিনব্যাপী এই সংলাপে তিনটি সমান্তরাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেমন- ইকুইটেবল এক্সেস টু বেসিক সার্ভিসেস ফর রেজিলিযেন্ট আরবান কমিউনিটি, ক্লাইমেট স্মার্ট ন্যাচার বেজড সলিউশনসঃ এমপাওয়ারিং লাইভস এন্ড এনহানসিং রেজিলিয়েন্স থ্রু গ্রিণ এপ্রোচ এবং প্রাইভেট স্টেও ইন রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট।

তিনটি সেশনে আলোচনায় অংশ নেন আইইউসিএনের কান্টি প্রতিনিধি শেখ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সামশাদ নওরীণ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন, গ্রিণ সেভারস এর প্রতিষ্ঠাতা পরিবেশ পদক প্রাপ্ত আহসান রনি, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. হাসিব মো. ইরফানুল্লাহ প্রমূখ। 

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, “পৃথিবীর সব দেশ অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে নানা ধরণের চ্যালেঞ্জ করছে। বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের স্তরে প্রবেশ করার পর অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবেলা করতে হবে।এসকল চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার পরিবর্তে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা সহ সরকার যৌথভাবে কাজ করে এসব সমস্যা সমাধান করবে”। 

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন,”নগরের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সুনাগরিক হতে হলে আমাদের প্রত্যেকটি মানুষকে দায়বদ্ধ হতে হবে। তার জন্য আমিত্ববোধ থেকে বেরিয়ে আমাদের ধারণার মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসতে হবে”। তিনি আরো বলেন, “ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সকল নাগরিককে স্মার্ট সেবার আওতায় আনার প্রয়াসে আমরা কাজ করে যাচ্ছি”। 

মূল প্রবন্ধে ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, “নগর উন্নয়নে মাইগ্রেশনের হার কমাতে হবে। নগরায়নের পরিকল্পনা উন্নয়নের সাথে সমান্তরালে যাচ্ছে না। ফলে প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের মাধ্যমে নগরের কাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে। নগরবাসীর সক্ষমতা অনুযায়ী তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”।  

নগর ঘোষণাপত্রে যেসব বিষয় আলোকপাত করা হয়, সেগুলো হলো স্থায়িত্বশীল নগরের জন্য সমতাভিত্তিক মৌলিক নাগরিক সেবা ব্যবস্থাপনা, ক্ষমতায়ন এবং সহনশীলতার জন্য জলবায়ুবান্ধব প্রাকৃতিক সমাধান এবং সহনশীল নগর উন্নয়নের জন্য ব্যক্তিখাতকে অধিকতর সম্প্রক্ত করা।

এছাড়াও মৌলিক সেবা খাতের চাহিদা এবং মান নিরূপণ করে চাহিদাভিত্তিক সেবা কাঠামো গড়ে তোলা, চিকিৎসা  ভাউচারসহ দরিদ্র্র জনগোষ্ঠিীর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, কর্মজীবি মায়েদের জন্য অনানুষ্ঠানিক আবাসিক এলাকায় ডে-কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলা, পার্ক-বিদ্যালয়-হাসপাতাল-খেলারমাঠ প্রভৃতি নাগরিক সেবাসহ আবাসিক এলাকা প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় নেতৃত্বে প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ করে তোলা, আমার গ্রাম আমার শহর বিষয়ক মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, কর্মমূখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নগর দারিদ্র বিমোচন এবং সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা প্রভৃতি বিষয় ঘোষণাপত্রে সন্নিবেশিত হয়।

কিউএনবি/আয়শা/২৮ মে ২০২৪,/রাত ৯:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit