মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে আমল কবুল হবে না ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যে কলিকে হত্যা, রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি সুতা ও কাপড় আমদানিতে আগাম অনুমতির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার বিমানকে তুলি, আকাশকে ক্যানভাস বানালেন পাইলট, আঁকলেন মোনালিসার ছবি টাইফুনের প্রভাবে বিপর্যস্ত জাপান, ১৯ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ রেকর্ড ভাঙা এল নিনো: শীত আসার আগেই প্রশান্ত মহাসাগরে নজিরবিহীন উষ্ণতা হুতিদের অগ্রযাত্রা নিয়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ গাজায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর রোমহর্ষক গল্প পাসপোর্ট অধিদফতরের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন

যে কারণে ধান ক্ষেতে চীনা বিশেষজ্ঞরা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪
  • ১৪৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : শেরপুরে হাইব্রিড ‘আপন’ জাতের ধান আবাদ পরিদর্শন করেছেন ধানটির উদ্ভাবকসহ চীনা বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার বিকালে নকলা উপজেলার চরমধুয়া এলাকায় কৃষক হুমায়ুন মিয়ার ১৭ কাঠা (৮৫ শতাংশ) জমিতে বোরো মৌসুমে আবাদকৃত নতুন জাতের এ ধানের ফলন ও সার্বিক বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ করেন। 

এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন এসিআই সিড লিমিটেডের ব্যবসা পরিচালক সুধীর চন্দ্র নাথ, বিক্রয় ব্যবস্থাপক মনোসিজ কুমার মন্ডল, প্রোডাক্ট ম্যানেজার মো. হুমায়ুন রফিক, কর্মকর্তা অলোক চন্দ্র শীল প্রমুখ। 

পরিদর্শনকালে চীনা বিশেষজ্ঞরা আবাদ করা ধান ক্ষেতে নেমে বিভিন্ন অংশ থেকে ধানের গোছা এবং শীষ সংগ্রহ করে সেগুলোতে ধানের সংখ্যা গণনা এবং এর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। পরে তারা স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন। 

এসিআই সিড লিমিটেডের ব্যবসা পরিচালক সুধীর চন্দ্র নাথ জানান, এসিআই ফরমুলেশন হাইব্রিড ধান-১৯, যার বাণিজ্যিক নাম হলো ‘আপন’। বোরো মৌসুমে আবাদযোগ্য এ ধানটি চিকন এবং গড় ফলন হেক্টরে প্রায় সাড়ে ৯ টন। অর্থাৎ শতাংশ প্রতি প্রায় এক মণ করে। তা ছাড়া এ ধানটি পাতা রোগপ্রতিরোধী ও প্রবল বাতাসেও ধান ঝরে পড়ে না। এর ভাতও বেশ ঝরঝরে ও পুষ্টিমান সমৃদ্ধ। দেশের সব এলাকায় এ ধানটি আবাদযোগ্য হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া পড়েছে। 

তিনি জানান, চীন থেকে আমদানি করা জাতটি কৃষি বিভাগের অনুমোদন পাওয়ায় এসিআই সিড কোম্পানি আগামী বছর থেকে এটি বাজারজাত করবে। এ জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। তাই চীনের কৃষি বিশেষজ্ঞরা সরেজমিন এটির আবাদ পরিদর্শনে এসেছেন। 

পরিদর্শন টিমের প্রধান জাত উদ্ভাবক চীনা গবেষক অধ্যাপক হু বলেন, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এখানকার মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। তা ছাড়া খাদ্য চাহিদা থাকায় অল্প জমিতে অধিক ফলন উৎপাদন করতে হবে, একই সঙ্গে পুষ্টিমানও নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য এখানে হাইব্রিড ধান-১৯ (আপন জাতের ধান) হতে পারে একটি আদর্শ জাতের ধান। এটি বিএলবি ও পোকামাকড় প্রতিরোধী। এর গড় ফলনও অনেক ভালো। এর ধানগাছও অনেক শক্তিশালী হয়ে থাকে। এ ধানের আবাদ বৃদ্ধি করা গেলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি। 

মাঠ দিবসে বীজ ডিলার মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক-কৃষানি ও বীজ ব্যবসায়ীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কৃষকরা জানান, হাইব্রিড ধান-১৯, যা আপন নামে পরিচিত ধানটির ফলন এবার বেশ ভালো হয়েছে। সামনের দিনে এ ‘আপন’ ধান কৃষকদের অতি আপন হয়ে ওঠবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১০ মে ২০২৪,/বিকাল ৪:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit