জালাল আহমদ,ঢাকা : সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি,জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলীর জানাজার নামাজ আজ ৪ মে শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ।
জানাজার নামাজের আগে বক্তব্য রাখেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান,এর্টনী জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন,সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক প্রমুখ। মরহুমের পুত্র রিয়াজ হোসেন খন্দকার এবং মেয়ে রাদিয়া খন্দকার পরিবারের সদস্যদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ।
এ সময় সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট জয়নাল আবেদীন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রচার সম্পাদক এডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান,এবি পার্টির নেতা এডভোকেট তাজুল ইসলাম, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট সৈয়দ ফজলে এলাহী অভি সহ সহস্রাধিক আইনজীবী জানাজায় শরিক হন।
এজে মোহাম্মদ আলী একজন আপাদমস্তক আইনজীবী ছিলেন।তিনি ১৯৫১ সালে নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি বগুড়া জেলায়। সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের দ্বাদশ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বাবা এম. এইচ. খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল। এজে মোহাম্মদ আলী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি ১৯৮০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। এরপর ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হন। পরে ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হন। ২০০৭ সালের ২৪ জানুয়ারি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। এছাড়া তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটিরও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলীকে গত ২৮ এপ্রিল উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। গত ২মে বৃহস্পতিবার দুপুরে ৭৩ বছর বয়সে তিনি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।গতকাল ৩ মে তাঁর লাশ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আনা হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/০৪ মে ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:১৪