বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ায় নির্বিঘ্নে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান ডিআইজির নরসিংদীতে ৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, এক বছরের কারাদণ্ড মেসিকে টপকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হালান্ডের বিরল রেকর্ড পারিবারিক ঐক্যেই কমেছে ভারতের দারিদ্র্য, ধুঁকছে অন্যরা সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ: নাহিদ ‘সকাল ১১টাতেই মুখে মদের গন্ধ’, কাকে ইঙ্গিত করলেন রাহুল গান্ধী? হামের টিকা ইস্যুতে দায়ীদের জবাব দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী খানজাহান আলীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

কাদের জোরে এমন ত্রাস চালায় সোমালিয়ার জলদস্যুরা?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪
  • ৯১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশি জাহাজ ছিনতাই করে ফের আলোচনায় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজটি থাকা ২৩ নাবিক ও ক্রু’কে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করছে তারা। তবে এটাই প্রথম ঘটনা নয়। আগেও একই কোম্পানির আরেকটি জাহাজও কয়েক বছর আগে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছিলো। তাছাড়া এই নৌপথে প্রতিনিয়তই এমন দস্যুতার ঘটনা ঘটে। 

প্রথমে পছন্দ মতো নানা হিসেব মিলিয়ে একটি জাহাজকে টার্গেট করে সোমালিয়ান জলদস্যুরা। মূলত পণ্যবাহী জাহাজকেই নিজেদের লক্ষ্যবস্তু বানায় এরা। আন্তর্জাতিক নৌরুটে চলাচল করা পণ্যবাহী জাহাজের গতি যেমন সাধ্যের মধ্যে থাকে। তেমন পাল্টা আঘাতের ঝুঁকিও থাকে কম। ১৮ থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলা এসব জাহাজে হুট করেই পরিকল্পনা মতো নৌকা নিয়ে উঠে যায় দস্যুরা। তাদের কাঁধে ঝোলানো থাকে একে-৪৭ এর মতো মারণাস্ত্র। ফলে তাদের সামনে নাবিকরাও অসহায় হয়ে পড়েন। বাধ্য হন দস্যুদের কথা মতো জাহাজ চালাতে। 

এরপর শুরু হয় দস্যুদের আসল খেলা। জিম্মি করা নাবিকদের দিয়েই তারা কাঙ্ক্ষিত মুক্তিপণের বিষয়টি জানায় যথাযথ কর্তৃপক্ষকে। ফোনে নিজ পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগও দেয় জিম্মিদের। এরপর তাদের কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেয়। যাতে স্বজনদের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা বাড়ে; বিপরীত প্রান্তে ভয়ংকর রকম ভীতি তৈরি হয়। 

অপহৃতদের সোমালিয়ার জঙ্গলে বন্দী করে রাখা হয়। হাঁকা হয় বিশাল মুক্তিপণ। চলে দর কষাকষি। মুক্তিপণ না পাওয়া পর্যন্ত অপহৃতদের জঙ্গলেই আটকে রাখা হয়। বন্দীদের খুব একটা খাবারও দেয় না দস্যুরা।

বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে, সোমালিয়ায় একটি ‘জলদস্যু শেয়ারবাজার’ও আছে। সেখানে বিনিয়োগকারীরা সম্ভাব্য অভিযানের শেয়ার কেনে। ৭২টির বেশি জলদস্যু গ্রুপের সমন্বয়ে এই শেয়ারবাজার গঠিত। এসব গ্রুপকে তারা ‘সামুদ্রিক কোম্পানি’ বলে থাকে। 

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের পকেটে যায় এই দস্যুবৃত্তির অধিকাংশ অর্থ। মুক্তিপণ পাওয়া গেলে সবার আগে বিনিয়োগকারী ও আরও কিছু স্টেকহোল্ডার তাদের ভাগের অর্থ কেটে রাখে। এ ছাড়া বিদ্যালয় ও হাসপাতাল পরিচালনার মতো কাজে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়কে কিছু অর্থ দেওয়া হয়। বাকি যা থাকে, তা অভিযানে অংশ নেওয়া জলদস্যুরা ভাগ করে নেয়।

এই শেয়ারবাজারের মহাজনরাই মূলত সোমালিয়ার জলদস্যুদের চালিকা শক্তি। তাদের কাছ থেকে যেমন দস্যুরা অস্ত্র পায়, তেমন পায় নানা রকম সহায়তাও।

কিউএনবি/অনিমা/১৪ মার্চ ২০২৪/সকাল ১১:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit