বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অতি চালাকের গলায় দড়ি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মুখোমুখি হয়েছে কতবার, এগিয়ে কারা? পাকিস্তানের হামলায় নিহত সেনার সংখ্যা গোপন করেছে মোদি সরকার: অভিযোগ বিরোধীদের পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইমারা  নির্ধারিত সময়ে  প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি  খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন, বদলে যাবে কৃষকের ভাগ্য। গুইমারা  নির্ধারিত সময়ে  প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি  খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন, বদলে যাবে কৃষকের ভাগ্য। আল্লাহর প্রিয় বান্দা কারা? যাদের তিনি ভালোবাসেন শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি,শিক্ষকের গলায় জুতার মালা আশুলিয়ায় শিক্ষকের অবহেলায় পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

প্রতিদিন এক চা চামচ হলুদ খেলে কি হয়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১১১ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : হলুদকে বলা হয় জাদুকরী মসলা। হাজার বছর ধরে চীনা এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধে ভেষজ নিরাময় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে হলুদ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থ্রাইটিস দূর করতে অনেক কার্যকরি হলুদ।

আর তাই নিয়মিত খাবার তালিকায় এক চা চামচ হলুদ যোগ করলে স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি হতে পারে।

১. কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা কমায়

প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য উপাদান রয়েছে হলুদে যা হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। এছাড়া হলুদে থাকা কারকিউমিন রক্তকে পাতলা করতে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং ধমনীকে সংকুচিত হতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করে।

২. ওজন কমাতে সহায়তা করে

এই ভেষজটির শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলীর কারণে এটি ওজন কমাতে পারদর্শী। ইউরোপিয়ান রিভিউ ফর মেডিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাকোলজিক্যাল সায়েন্স ২০১৫ সালে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় নিয়মিত হলুদ খাওয়ার ফলে প্রথম ৩০ দিনে বডি মাস ইনডেক্সে ২ শতাংশ পর্যন্ত এবং ৬০ দিনের পরে ৫-৬% বা ৮ শতাংশেরও বেশি ওজনের প্রাপ্তবয়স্কদের পরিবর্তন দেখা যায়।

হলুদে থাকা কারকিউমিনে ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এছাড়া কারকিউমিন কোষের ক্ষতি, পরবর্তী মিউটেশন এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কারণ এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি। এক গবেষণায় দেখা গেছে কারকিউমিনের টিউমার-বিরোধী প্রভাবও রয়েছে, এটি টিউমার গঠন এবং বিপজ্জনক কোষের বিস্তারকে বাধা দেয়।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে

হলুদে থাকা উপাদান কারকিউমিনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। হলুদ, আদা এবং গোল মরিচ দিয়ে তৈরি চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাগুলোর মধ্যে একটি। যদিও কারকিউমিন রক্তপ্রবাহে খুব ভালোভাবে শোষণ করে না, গোল মরিচের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে তা শোষণকে উন্নত করে। কারণ গোল মরিচে থাকা পিপারিন এই শোষণে সহায়তা করে।

কিউএনবি/অনিমা/০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/বিকাল ৩:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit