স্পোর্টস ডেস্ক : প্রায় ১২০ বছরের ইতিহাস এল ক্লাসিকোর। যদিও সময়ের এই ব্যবধানে বিন্দুমাত্র আবেদন কমেনি ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় দ্বৈরথের। আর তা যদি হয় ফাইনাল তাহলে উত্তেজনা বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাতে মাঠে নামবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। যেখানে বছরের প্রথম শিরোপা জয়ের হাতছানি দুই স্প্যানিশ জায়ান্টের সামনে। রিয়ালের সামনে সুযোগ প্রতিশোধের। রিয়াদে বার্সার কাছেই গত মৌসুমে এই সুপারকাপ ফাইনালে হেরেছিল লস ব্ল্যাঙ্কোস। যদিও লিগের বর্তমান টেবিল টপার এবং সেমিতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে রীতিমতো উড়িয়ে দেয়া রিয়াল শিরোপা জয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী।
সংবাদ সম্মেলনে কোচ আনচেলত্তি বলেন, ‘বার্সেলোনার চেয়ে ভালো খেললে আমি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তবে যোগ্য দল না হয়েও যদি শিরোপা আমাদের হয়, তাহলে সেটা নিতেও আপত্তি নেই।’
সেমিতে রিয়ালের মতো বড় জয় না পেলেও শিরোপার দাবিদার হিসেবে বার্সেলোনাকে খুব বেশি পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। সেমিতে লেভানদোভস্কি আর ইয়ামালের গোলে ওসাসুনাকে হারিয়েছে জাভি হার্নান্দেজের দল। টুর্নামেন্টের সফলতম দলের রেকর্ডটাও কাতালান শিবিরের দখলে।
ফাইনালে বার্সার হয়ে শুরুর একাদশে ফিরতে পারেন পেদ্রি। ইনজুরি কাটিয়ে সেমিতে ম্যাচ শুরু করেছিলেন বেঞ্চে থেকে। তবে দলটার দুশ্চিন্তার কারণ টের স্টেগানের ইনজুরি। গোলপোস্টের নিচে তাই দায়িত্বভার থাকবে পেনার ওপর। এছাড়া সেমিতে রাফিনিয়ার চোট, আগে থেকেই নেই গাভি, কান্সেলো। সব মিলিয়ে ফাইনালে যে রিয়াল এগিয়ে থাকছে সেটা মেনে নিয়েছেন খোদ বার্সা কোচ জাভি হার্নান্দেজ।
তিনি বলেন, ‘রিয়ালের চেয়ে কিছুটা কম প্রস্তুত হয়ে আমরা এখানে এসেছি, এটা সত্যি। এটা মেনে নিচ্ছি। তবে বল মাঠে গড়ানো মাত্রই এই ম্যাচে কোনো ফেভারিট থাকবে না। দুই দলের জন্যেই তখন সমান সুযোগ। এটা ক্লাসিকো। আর আপনি বলতে পারবেন না ক্লাসিকোতে কী ঘটবে, ফাইনাল হলেও না।’
এই নিয়ে ১ বছরের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো স্পেনের বাইরে মুখোমুখি হবে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। রিয়াদে সুপারকাপের আগের আসরের ফাইনাল কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খেলা প্রীতি ম্যাচ, দুটিতেই রিয়ালকে হারানোর স্বাদ পেয়েছে কাতালান শিবির। রোববারের সুপারকাপ জিতলে রেকর্ড ১৫তম শিরোপা ঘরে তুলবে বার্সেলোনা।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ জানুয়ারী ২০২৪,/রাত ৮:০৫