সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা ল’ কলেজে এলএলবি পরীক্ষার ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানবববন্ধন, ৭ দফা দাবি পেশ ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চাওয়া আবুল কালাম আযাদের আপিলের আদেশ হচ্ছে না আজ সারা দেশে দমকা হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আটোয়ারীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ,সেলাই মেশিন ও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান  নোয়াখালীতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল এমডি জেলে সাংবাদিক তোফায়েল’র পিতার দাফন সম্পন্ন, অনলাইন প্রেসক্লাবে শোক রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী দেবীগঞ্জে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হাসিনাতুজ্জাকিয়া বানুর রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা

নিরাপত্তাকর্মী থেকে বিসিএস ক্যাডার জবির মোত্তালেব

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২০৪ Time View
ডেস্ক নিউজ : স্বপ্ন, উদ্যম ও পরিশ্রমই জীবনে সাফল্যের চাবিকাঠি। শত বাধা বা দারিদ্র্য-কোনো কিছুই সফলতার পথ আটকাতে পারে না। সেটাই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোত্তালেব মিহির। ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় তিনি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন।

বগুড়ার বর্গাচাষির সন্তান হয়ে ছোটবেলা থেকেই তাকে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়তে হয়েছে। দারিদ্র্যের কারণে মাঝপথে তার পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মোত্তালেব দমে যাননি। আর্থিক সংকটে পড়ে নানামুখী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে জীবন যুদ্ধে লড়াই করেছেন মোত্তালেব। 

কখনো বাসাবাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীর কাজ, কখনো প্রুফ রিডার ও টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন। সেই সঙ্গে এগিয়ে গেছেন প্রতিজ্ঞ স্বপ্নের পথে। তার সেই পরিশ্রমই এখন যেন সফলতার সিঁড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জের মহাবুল ইসলাম ও জামিলা বিবির সন্তান এমএ মোত্তালেব মিহির। তিনি সাধারণ জ্ঞান জগতের বিশ্বস্ত বই প্রকাশনী মিহির’স রিসার্চ ও পাবলিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা। মোত্তালেব জানিয়েছেন, মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি সাফল্যের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। বিসিএস পর্যন্ত তার আসার পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না। 

গ্রামের স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে যখন তিনি কলেজে ভর্তি হন, তখন তার পরিবারকে পড়তে হয় আর্থিক টানাপোড়নে। তাই কলেজের পড়াশোনাও তার কিছুদিন বন্ধ ছিল। তাই তাকে বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরিও নিতে হয়েছিল।

মোত্তালেব বলেন, বেসরকারি কোম্পানিতে সিকিউরিটি ম্যানের চাকরি করতাম। ডিউটি ছিল ১৬ ঘণ্টা। জীবনের কঠিন সময় তখনই কেটেছে। তখন বসে থেকে সময় কাটত না, তাই মাঝে মাঝে বই পড়তাম। একদিন ছুটি নিয়ে আমার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করি। সে ঢাকায় এসেছে কোচিং করে অ্যাডমিশন দেবে। তার কাছেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সম্পর্কে জানি। পড়াশোনার উদ্দীপনা আবারও জাগে। সিকিউরিটি চাকরির বেতন থেকে কিছু টাকা জমিয়ে ভর্তি হয়ে যাই একটি কোচিংয়ে। অবশেষে চান্স পাই ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ভর্তি হই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মোত্তালেব বলেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়া যতটা না কষ্টের তার থেকে বেশি কষ্টসাধ্য কাজ হচ্ছে লেগে থাকা। তাই, ধৈর্য ধরে শেষ পর্যন্ত লেগে থাকলে একদিন সফলতা আসবেই।
 

 

কিউএনবি/অনিমা/০২ জানুয়ারী ২০২৪,/রাত ৯:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit