তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : বিলটি উত্থাপন করেন কাউন্সিলম্যান রামিরো রোজারিও। এরপরই তিনি বলেন, ‘এই বিলটি কোনো প্রথাগত নীতি বিতর্কের ফল নয়। এটা পুরোটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভাষা মডেল চ্যাটজিপিটির তৈরি।’ গত ২৩ নভেম্বর পাস হওয়া এই বিলটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- পানির মিটার চুরি হয়ে গেলেও পৌরসভার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন বিভাগকে নতুন পানির মিটারের জন্য সম্পত্তির মালিকদের চার্জ করা থেকে বিরত রাখা।
রোজারিও বলেছেন, ‘খসড়া এই বিল তৈরির জন্য ২৫০ শব্দের কমান্ড নিতে চ্যাটজিপিটির সময় লেগেছে মাত্র ১৫ সেকেন্ড, যা করতে আমার সময় লাগতো অন্তত তিন দিন।’কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনপরিষেবার উন্নয়নের জন্য এইআই একটি কার্যকরি প্র্যাকটিক্যাল টুল। এই আইনটিতে এআইয়ের পরামর্শগুলো হলো- চুরি হওয়া পানির মিটার প্রতিস্থাপনের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তা না হলে পানির বিল মওকুফ করারও একটি ধারা আছে আইনটিতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথাগত প্রক্রিয়ায় দলের পরামর্শ, আইনি গবেষণা ইত্যাদিতে কয়েকদিন লাগতো। কিন্তু এআই মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সমাধান করে দিয়েছেন।’আইনটি পাস হওয়ার পরে রোজারিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন, ‘এটিই প্রথম ব্রাজিলিয়ান আইন, যা একচেটিয়াভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।’
এআইয়ের এমন ভূমিকায় কাউন্সিলের বেশ কয়েকজন সদস্য হতবাক হলেও অনেকেই এর প্রশংসা করেন। তবে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হ্যামিলটন সসমেইয়ার প্রাথমকিভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও পরবর্তীতে বলেন ‘আইন প্রণয়নে এআইয়ের ভূমিকা ট্রেন্ড হয়ে উঠতে পারে।’
কিউএনবি/আয়শা/০৭ ডিসেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৩:৪৫