মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্যাংক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশ ভারতীয় ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে যাওয়ার ইঙ্গিত, শাস্তি পেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শিল্পকলায় ‘কঞ্জুস’ নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শনাক্তে থাকবে কিউআর কোড: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া। শার্শায় মসজিদে রাজনৈতিক কর্মসূচির অভিযোগ, মুসল্লিদের ক্ষোভ কীভাবে কর্মসূচি করব বিএনপিকে শেখাতে হবে না: সারজিস আলম বিমানে যাত্রীকে গালাগাল ও হামলার অভিযোগ, সিটে ডাক্ট টেপ দিয়ে আটকালেন যাত্রীরা আগামী অর্থবছরেই চালু হচ্ছে ৮ বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতাল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জামায়াত আমিরের হায়াতে তাইয়েবা, সবরে জামিল আতা ফরমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২১ ব্যাংকে ডলার সঙ্কট

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৫০ Time View

ডেস্কনিউজঃ দেশের ২১টি ব্যাংক ডলার সংকটে ভুগছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক। তিনি বলেছেন, এসব ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করে চলছে। তবে সার্বিকভাবে ডলারের সংকট নেই এখন। দেশে ৩৯ ব্যাংকের কাছে পর্যাপ্ত ডলারের মজুত আছে। আর এসব বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলো ডলারের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ডলার সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়টি তুলে ধরে মেজবাউল হক বলেন, বুধবার (২২ নভেম্বর) বাফেদা-এবিবি রপ্তানি-রেমিট্যান্স ও আমদানিসহ সব ক্ষেত্রে ডলারের দাম ৫০ পয়সা কমিয়েছে। এতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বাড়বে। এখন আমদানি কমে যাওয়ায় ডলারের চাহিদা কমে এসেছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে বিল পরিশোধের চাপ কমে আসবে বলে জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বেশির ভাগ ব্যাংকের কাছেই প্রয়োজনের বেশি ডলার আছে। সংকটেও রয়েছে কিছু ব্যাংক।

এসব ব্যাংক গ্রাহক চাহিদা অনুযায়ী ঋণপত্র খুলতে পারছেন না। তারা বাধ্য হয়ে অন্য ব্যাংকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এ কারণেই কখনও কখনও অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে ডলার বাজারে।

ডলার বাজার স্বাভাবিক হচ্ছে এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ করবে কি-না এমন প্রশ্নে এ মুখপাত্র বলেন, রিজার্ভ থেকে সরকার তার প্রয়োজনে ডলার নেয়। দেশের স্বার্থে সেটা দিতেই হবে। এখানে বন্ধ করার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, দেশের ডলার খরচের মূল খাত হলো ‘আমদানি মূল্য পরিশোধ করা এবং সেবামূল্য পরিশোধ।’ এ দুই জায়গাতেই চাহিদা কমাতে সক্ষম হয়েছি। এরই মধ্যে ডলার পরিশোধের পরিমাণ অর্ধেকে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাসিক ডলার পরিশোধ নেমে ৪৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। বেশ কিছু পণ্য আমদানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এখন দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্রও খোলা কমেছে। ব্যবসায়ীরা এখন যেসব ঋণপত্র খুলছেন তার বেশির ভাগই অ্যাট সাইট এলসি বা তাৎক্ষণিক। তাই বলাই যায়, অল্পসময়ের মধ্যেই ডলার সংকট নিরসনের পাশাপাশি দেশের মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

কিউএনবি/বিপুল/২৩.১১.২০২৩/রাত ১০.৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit