রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৯ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭০১ কোটি টাকা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলম মধ্যপ্রাচ্যে একযোগে ৫ দেশে ইরানের অতর্কিত হামলা বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কারিগরির ৬ষ্ঠ শ্রেণির ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ২৩ জুলাই ‘জমির উদ্দিন সরকার শুধু রাজনীতিবিদ নন, ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান’ রাতে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নারী নেতৃত্ব

তরল দুধ কতবার গরম করা নিরাপদ?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৫৫ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দুধ ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এ ছাড়াও এতে রয়েছে পটাশিয়াম, জিংক, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা ৩ ও ৬, ভিটামিন বি ১২, খনিজ, ফসফরাস, রিবোফ্লভিন ইত্যাদি।অনেকেই দুধ সহজে হজম করতে পারেন না। তাই অনেকে গরম দুধের পরিবর্তে ঠান্ডা দুধ খেতে পছন্দ করেন। আবার কেউ ঘন দুধ খেতে ভালোবাসায় তরল দুধকে বারবার চুলায় গরম করতে শুরু করেন দীর্ঘ সময়ের জন্য। এ অভ্যাস কতটা স্বাস্থ্যকর জানেন কী?

পুষ্টিবিদরা বলছেন, তরল দুধে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া যেমন থাকে, তেমনি থাকে ভালো ব্যাকটেরিয়াও। ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোকে সুরক্ষিত রেখে আপনি যদি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে চান তবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিংবা চুলার মাঝারি আঁচে দুধ গরম করুন। এ তাপমাত্রায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে যায়। কিন্তু ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো বেঁচে থাকতে পারে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, পুষ্টিবিদরা আরও বলছেন, দুধে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন বিশেষ করে ভিটামিন সি ও ডি-কে সুরক্ষিত রাখতে তরল দুধ একবারের বেশি গরম করা যাবে না। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাতাসে থাকা ধুলোবালি ও ফাঙাসের কথা। তরল দুধ গরম করার পর যতক্ষণ আপনি তা রেখে দেবেন তত দুধে তৈরি হতে শুরু করবে ফাঙাস।
 
বারবার দুধ চুলায় গরম করার কারণেও দুধে এ ফাঙাসের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে যা দুধকে করে তোলে ঘন ও পুষ্টিহীন। তাই তরল দুধ গরম করার পর তা রেখে দেবেন না। চেষ্টা করুন, তরল দুধ একবার চুলায় গরম করেই কুসুম গরম অবস্থায় তা দ্রুত খেয়ে ফেলার। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙাসহীন নিরাপদ দুধ খেতে পারবেন। দুধ খাওয়ার এ সঠিক নিয়ম মেনে চলুন। চুলায় প্রথমবার মাঝারি আঁচে তরল দুধ একবার গরম করার সঙ্গে সঙ্গে তা পরিবারের সদস্যদের খেতে দিন।

পেটের গোলযোগ এড়াতে সকালেই দুধ খেয়ে ফেলার অভ্যাস করতে পারেন। এতে করে সারাদিনে দুধ শরীরে হজম হওয়ার সুযোগ পাবে। চিকিৎসকরা বলছেন, সকালে শরীরে হজম শক্তি বেশি থাকে। তাই ওই সময়ই দুধ খাওয়া বেশি কার্যকরী হয়ে ওঠে শরীরের জন্য। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ অক্টোবর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit