ডেস্ক নিউজ : শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে চারটার দিকে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। এদিকে দুপুর থেকেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মরণকালের সেরা ছাত্র সমাবেশ। জাতীয় নির্বাচনের আগে নৌকার পক্ষে তরুণ প্রজন্মকে জাগ্রত করতেই ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উপস্থিত থাকার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত ছিলো। বলা হয়েছিলো, বিকেল চারটায় তিনি সমাবেশস্থলে উপস্থিত হবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের কিছু আগেই সমাবেশে যোগ দেন শেখ হাসিনা। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই সমাবেশে ছাত্রসমাবের প্রতি বার্তা দেবেন শেখ হাসিনা।
এর আগে সমাবেশে অংশ নিতে ছাত্রলীগের ১৩৬টি ইউনিট আলাদা আলাদা পোস্টার ব্যানার আর রঙবেরঙের টুপি পরে জড়ো হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। জানান দেন সাংগঠনিক দক্ষতা আর নিজেদের সক্ষমতার। ভাদ্রের ভরদুপুরে ভ্যাপসা গরম আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে গ্রাম থেকে নগর, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল ছাত্রলীগ কর্মীদের ঢল নামে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি তৃণমূলে সরকারের উন্নয়নের কথা পৌঁছে দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবারো বিজীয় করতে কাজ করবে ছাত্রসমাজ। নির্বাচন সামনে রেখে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে সরকারের পাশে থেকে আগামীতে কাজ করার প্রত্যয় জানান সমাবেশে অংশ নেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা মোকাবিলায় সরকারের ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা আসে ঐতিহাসিক ছাত্র সমাবেশ থেকে।
কিউএনবি/আয়শা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/বিকাল ৪:০৩