বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: এমপি নজরুলের গাড়িচালক ওবায়দুর কারাগারে ইউপি নির্বাচনে বাড়ছে ইসির ক্ষমতা, প্রার্থীর জামানত বৃদ্ধি ৫ গুণ নতুন করে ২০০ বিচারক পেলেন নিয়োগের জন্য প্রাথমিক মনোনয়ন রাজধানী থেকে সাবেক এমপি গ্রেপ্তার ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় ইসলামী ব্যাংকে পরীক্ষা ছাড়াই সাড়ে ৮ হাজার কর্মী নিয়োগ! সরকারি সেবার কেন্দ্রবিন্দু হবে ডিজিটাল আইডি: রেহান আসাদ প্রতারণার মামলায় ফুডপান্ডার শীর্ষ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

সম্পর্কের বিয়ে পরবর্তী যৌতুকের বলী স্ত্রী রত্না

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৪৭ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জ সদরের খিলিন্দা গ্রামের রফিকুল ইসলাম রতনের মেয়ে রুবিনা ইয়াসমিন রত্না (২০)। পিতার কর্মস্থল ঢাকার মিরপুরে পরিবারের সাথে থাকতেন। খালার বাসা উত্তরায় বেড়াতে গিয়ে ওয়ার্কসপ কর্মচারী শরীয়তপুর সদরের উত্তর চন্দ্রপুর গ্রামের মতিন সরদারের ছেলে সুজাল ওরফে নাহিদের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে সম্পর্ক আবার সম্পর্ক থেকে উভয় পরিবারের অসম্মতিতে বিয়ে হয় রত্না-সুজালের। বিয়ের আড়াই বছরে রত্না-সুজাল দম্পত্তির পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।

নাম রহমতউল্লাহ (৭ মাস)। এক পর্যায়ে উভয় পরিবার সুজাল-রত্নার বিয়ে মেনে নেয়। রত্না শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করতে শুরু করে। তখন স্বামী ও শ্বশুর পরিবার যৌতুক হিসেবে একটি মোটরসাইকেল দাবী করে। দাবী পূরণ না হওয়ায় রত্নার উপর নির্যাতনও শুরু করে স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ী। রত্নামোবাইল ফোনে যৌতুকের বিষয়টি মা-বাবাকে জানায়। কিছুদিন পূর্বে রত্নার সন্তান প্রসবের সময় অস্ত্রপচার ও হাসপাতাল খরচ বাবদ অনেক টাকা খরচ হয় রত্নার পিতা রফিকুল ইসলাম রতনের। সেই চাপ কাটিয়ে উঠতে পাড়লে জামাতাকে মটর সাইকেল দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন মেয়েকে। মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর পরিবার তা মেনে নিতে না পেরে পুত্রবধু রত্নার উপর অমানসিক নির্যাতন চালায়। এমন অভিযোগ ছিল রত্নার পিতা রফিকুল ইসলাম রতনের।

রফিকুল ইসলাম রতন জানান, কোরবানির ঈদের সময় নাহিদের পিতা ও খালুর অনুরোধে সে মেয়ে রত্নাকে স্বামীর সাথে শ্বশুর বাড়ি পাঠায়। তখন থেকেই শ্বাশুরী রত্নার উপর নির্যাতন শুরু করে। সাথে স্বামীর দাবী মোটর সাইকেল। বিষয়টি মেয়ে তাকে ফোনে জানিয়েছিলেন। আরো জানিয়েছিলেন মোটর সাইকেলের দাবীতে তাকে নির্যাতনও করা হয়। নির্যাতন করতে করতে যে মেরে ফেলবে তা বুঝতে পারেনি।

তিনি আরো জানান, শুক্রবার রাতে সুজালের প্রতিবেশী একজন মোবাইল ফোনে জানায় রত্নাকে মেরে ফেলা হয়েছে। তখন ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়ে শরীয়তপুরে এসে পালং থানায় যাই। সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। পরে মরদেহ মর্গে পাঠায়। ইতোমধ্যে ভোর হয়ে যায়। ভোরে সুজালের গ্রামের বাড়ি চন্দ্রপুরে যাই। গিয়ে দেখি সুজাল ও তার পরিবার ৭ মাস বয়সী শিশু নাতি রহমতউল্লাহকে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে। মরদেহের গায়ে অনেক আঘাত দেখতে পেয়েছি।

আমার বিশ্বাস যৌতুকের দাবীতে রত্নার স্বামী-শ্বশুর ও শ্বাশুরী মিলে রত্নাকে নির্যাতন পরবর্তী হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এই বিষয়ে মামলা করব। এই বিষয়ে পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আক্তার হোসেন জানায়, ঘটনা পরবর্তী ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করি। এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

কিউএনবি/আয়শা/৫ অগাস্ট ২০২৩,/বিকাল ৫:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit