খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শিশু হৃদয় খান নিবির (১১) নামের এক শিশুকে মুক্তিপণের দাবীতে পরিকল্পিত ভাবে অপহরণ করা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত চার জনকে গ্রেফতার করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্ত কর্মকর্তা। এর মধ্যে শাকিল ও শাওনকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের বিচারক অপ্রাপ্ত বয়স্ক বিবেচনায় তুহিন গাজীর (১৫) রিমান্ড নামঞ্জুর করে। মামলার প্রধান আসামী সিয়ামের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে তুহিন গাজীকে (১৫) প্রধান মাস্টারমাইন্ড হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে শিশু আদালত থেকে তুহিনকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন।
ট্রাইব্যুনারেলর পিপি মির্জা হজরত আলী বলেন, মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার্জ। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে শাকিল ও শাওনকে ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। প্রথমে অপ্রাপ্তবয়স্ক বিবেচনায় তুহিন গাজীকে রিমান্ড দেওয়া হয়নি। প্রধান আসামী সিয়াম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। সেখানে তুহিন গাজীকে প্রধান মাস্টারমাইন্ড বলে স্বীকার করে নেয়। পরবর্তীতে শিশু আদালতের বিচারক তুহিনকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। তাই শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপক্ষে লড়ব।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, মামলার তদন্তকাজ শুরু হয়েছে। যে আসামীদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে ইতোমধ্যে তাদের রিমান্ড ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। শিশু আসামী তুহিনকেও রিমান্ডের জন্য দ্রুত নিয়ে আসব। উল্লেখ্য, শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের খিলগাঁও এলাকায় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু শিক্ষার্থী হৃদয় খান নিবির (১১ কে মুক্তিপণের দাবীতে হত্যার পরে বালুচাপা দিয়ে লাশ গুম করা হয়। অপহরণের সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যানুযায়ী (১ আগস্ট) ভোর ৬ টার সময় নিবিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
কিউএনবি/আয়শা/০২ অগাস্ট ২০২৩,/বিকাল ৪:৩০