শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এআই দিয়ে প্রয়াত অভিনেতার মুখে সংলাপ বসালেন পরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন ভারতে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেবে ব্যাংক ইথিওপিয়াকে ১২ যুদ্ধবিমান ও চার এস-৪০০ দিচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে রোগীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা এলপিজি বিক্রির কমিশন দুই থেকে তিনগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব সারেনি বিমানের ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হচ্ছে গঙ্গা চুক্তি, ভাগ্য বদলাবে কি নবায়ন চুক্তিতে? পর্যটনে এআই ও টেকসই গন্তব্যের বার্তা নিয়ে ঢাকায় বিটিটিএফ শুরু

‘ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার পেলাম’

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
  • ২০৫ Time View
ডেস্ক নিউজ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় প্রথমেই মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন তার মেয়ে সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ।

তিনি বলেন, এই ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার পেলাম। এর জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর ছয় মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। দীর্ঘ এই প্রতীক্ষা আমাদের কিভাবে কাটাতে হয়েছে, তা আর কিভাবে বলবো। তবে এত বছর পরও আমার বাবার হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, আইনজীবী, বিচারক এবং সর্বোপরি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

সেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ বলেন, আমরা তো বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারি নাই। বাবাকে স্পর্শ করতে পারি নাই। এই চাপা কষ্ট আর কান্নার কথা কাউকে কিভাবে বলবো। এই নিদারুণ কষ্ট কোনো দিন ভুলবার নয়। আমার বাবাকে ২০০৬ সালে নির্মমভাবে হত্যা করে ম্যানহোলের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। কী দোষ ছিল আমার বাবার? কেন এমন নির্মমতা?

তিনি বলেন, আমি এই দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া কার্যকরে নিরপেক্ষভাবে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী, পুলিশ কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মীদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি মনে করি আইন, আইনের গতিতেই চলেছে। এজন্য দেরিতে হলেও ন্যায়বিচার বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। হয়তো এত দিনে আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১ মিনিটে দুই আসামি মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে ৮ জন জল্লাদ এই দণ্ড কার্যকরের দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্রমতে, এক মঞ্চে এক সঙ্গে একই সময় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের বাম পাশে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম।

কিউএনবি/অনিমা/২৯ জুলাই ২০২৩,/রাত ১২:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit