খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুর পৌরসভার বাঘিয়া গ্রামে আব্দুর রহমান সরদারের স্ত্রী ছনিয়া আক্তার। তিনি ৩৯ নং বাঘিয়া মৌজার ৪১৮ নং খতিয়ানের ৬৭৯ নং দাগের তার স্বামীর ক্রয়কৃত ৮ শতাংশ জমিতে বসতবাড়ি ও দোকান নির্মাণ করে ২০১০ সাল থেকে বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে সেই ৮ শতাংশ জমি থেকে ১ শতাংশ জমি জবর দখলের চেষ্টা করে আসছেন নড়িয়া উপজেলার মগর গ্রামের হানিফ বেপারীর ছেলে মামুন বেপারী।
এই বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে দরবার শালিশ শেষে বিষয়টি পালং মডেল থানা ও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ইতোমধ্যে মামুন বেপরী স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় ছনিয়ার স্বামীর ক্রয়কৃত ৮ শতাংশ জমি হতে ১ শতাংশ জমি দখল করে পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করে। আদালত ও পুলিশের চাপে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে মামুন। যে কোন সময় প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করবে বলে ছনিয়া ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে। এই বিষয়ে ছনিয়া পুলিশ সুপার কাছে নিরাপত্তা চেয়ে লিখিত আবেদন করেছেন।
দরখাস্তকারী ছনিয়ার স্বামী আব্দুর রহমান সরদার জানায়, ২০১০ সালে তিনি ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে রয়েছেন। পরবর্তীতে বিক্রেতা খুশি আক্তার ক্রেতা মামুন বেপারীর কাছে অবশিষ্ট জমি বিক্রি করে। সেখানে জমি কম থাকলে তার দায়দায়িত্ব বিক্রেতা বহন করবে। এখন বিক্রেতা ও ক্রেতা মিলে আমার ক্রয়কৃত জমি দখল করতে চেষ্টা চালায়। তাদের এই অনৈতিক কাজে সহায়তা করছেন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী লোকজন। আমরা এলাকায় তাদের সাথে মোকাবেলা করতে না পেরে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করেছি।
দরখাস্তকারী ছনিয়া জানায়, আমরা গরীব মানুষ। আমাদের টাকা ও জনবল নাই। তাই আমাদের উপর জুলুম চালায় মামুন বেপারী, খুশি আক্তার ও নাজির খান। তারা জমি পাবে ৮ ফুট। জোর করে ১৫ ফুট জমি দখল করে সীমানা প্রাচির তৈরী করতে চেষ্টা চালায়। ইতোমধ্যে আমার স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে ৫-৬টি মামলাও করেছে। কয়েকটি মামলা আমার স্বামীর পক্ষে নিস্পত্তি হয়েছে। তবুও পুণরায় জোর করে জমি দখল করবে আশঙ্কায় আমি পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছি। ন্যায় বিচার না পেলে আমরা গৃহহীন হয়ে পড়ব।
কিউএনবি/আয়শা/১৯ জুন ২০২৩,/বিকাল ৪:৫৫