ডেস্ক নিউজ : টঙের টেস্ট অভিষেকে তার এবং তার পরিবারের মতোই খুশি হয়েছেন আরও একজন। টিম পাইপার, টঙের প্রতিবেশী এবং তার বাবার বন্ধু। প্রতিবেশী হিসেবে টঙের অভিষেকে অবশ্যই বেশ খুশি তিনি। তবে আরও একটি কারণে খুশি পাইপার। টঙের অভিষেকে যে তার পকেটে ঢুকতে চলেছে ৫০ হাজার ইউরো।
আজ থেকে প্রায় ১৪ বছর আগে যখন টঙের বয়স ১১ বছর, তখন তাকে নিয়ে একটি বাজি ধরেছিলেন পাইপার। তিনি বিশ্বাস করতেন প্রতিভাবান টঙ একদিন জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলবেন। তাই ১৫ বছর আগে তাকে নিয়ে ১০০ ইউরো বাজি ধরেন পাইপার। ১ ইউরোর বিনিময়ে ৫০০ ইউরো পাবেন, এমন শর্তে তখন বাজি ধরেছিলেন পাইপার। প্রায় অসম্ভব সেই বাজিই আজ জিতলেন তিনি।
বাজির ব্যাপারে নিজেই জানিয়েছেন পাইপার। বিবিসি স্পোর্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি ওই বাজির নথিপত্র এতদিন ধরে নিজের সাথে বয়ে বেড়াচ্ছি। আমি খুবই সাদামাটাভাবে ভেবেছিলাম। ভেবেছিলাম তাকে (টঙ) নিয়ে বাজি ধরা যায়। বিশ্বাস ছিল, যদি সে নাও করতে পারে (ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট অভিষেক) তবুও সে কোনো উপায়ে আমাদের গর্বিত করবে। এটা তো একটা বোনাস।’
টঙের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাকে দেখে আসছেন পাইপার। টঙের বাবার সাথে একই ক্লাবে খেলতেন তিনি। প্রথমবার তিনি টঙকে যখন দেখেছিলেন তখন লেগস্পিন বল করতেন টঙ। তখনই এই কিশোরকে দেখে পাইপার বুঝেছিলেন, এই ছেলে একদিন বড় কিছু করবে। তিনি বলেন, ‘এই ছেলেটা তখন লেগ স্পিন, গুগলি এবং টপ স্পিন বল করতো। তখনই তার বোলিং ছিল শেন ওয়ার্নের মতো।’
ওরচেস্টশায়ারে একাডেমিতে ভর্তি হয়ে স্পিন ছেড়ে পেস বোলিংয়ে নাম লেখান টঙ। পাইপার তখনও তার ওপর নজর রেখেছিলেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৬২ উইকেট নিয়েছেন টঙ। তবে একটা সময় অবসরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিলেন টঙ। ২০২১-২২ সালে প্রায় ১৫ মাস মাঠের বাইরে ছিলেন এই বোলার। তবে বিপত্তি কাটিয়ে আবারও মাঠে ফিরেছেন টঙ। অলি রবিনসন এবং জেমস অ্যান্ডারসনের ইনজুরিতে এবার খুলে গেল ভাগ্যও। প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়ে অভিষেকও হয়ে গেল ২৫ বছর বয়সী তরুণের।
কিউএনবি/আয়শা/০১ জুন ২০২৩,/রাত ৮:১৪