শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা : যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান জহির কে আবারো শার্শা থানা পুলিশ আটক করেছে। যশোরে থেকে দীর্ঘ ৫১ দিন পর চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে তিনি আটক হয়েছেন। গত ৮ এপ্রিল শনিবার বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কর্মসূচী পালন করার সময় আচমকা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা শার্শার কামারবাড়ি মোড়ে বিএনপি’র নেতাদের উপর হামলা করে। হামলায় বিএনপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এ্যাড সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান জহিরের উপর হামলা করে বেদম ভাবে রক্তাক্ত জখম করে।
হামলায় যশোর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এ্যাড সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান জহির মারাত্বক আহত হন। আহত হওয়ার পর যশোর থেকে উন্নত চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ ৫১ দিন পর বাড়ি ফিরে শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান জহিরশার্শা থানা পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। আটকের সময় তার সাথে শার্শা উপজেলা বিএনপি’র বিভিন্ন এলাকার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতা কর্মিরা ছিলেন। হাসান জহিরের আটকের পর পুলিশের ধাওয়া খেয়ে উপস্থিত নেতা কর্মিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান।
পালিয়ে যান এ ব্যাপারে বুরুজবাগান ওয়ার্ড বিএনপি’র এক নেতা জানান, দীর্ঘ ৫১ দিন পন তাদের নেতা শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান জহির বাড়িতে আসেন। এ জন্য শার্শা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কিছু নেতা কর্মি তাকে মোটরসাইকেল শোভা যাত্রা করে নাভারন বাজার থেকে তাকে নিয়ে আসে। এরপর আবুল হাসান জহির বুরুজবাগান গ্রামের বিএনপি নেতা মরহুম নবীছদ্দিন মোড়লেরর বাড়িতে যান এবং তার কবর জিয়ারতের জন্য কবরস্থানে যাওয়ার পথে নাভারন হাসপাতাল মোড় থেকে শার্শা থানার পুলিশ তাকে আটক করে তাৎক্ষনিক শার্শা থানাতে নিয়ে যান।
এ সময় তার সাথে থাকা শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক বুরুজবাগান গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আলাল হোসেন(৪৫) ও যুবদল নেতা ঘিবা গ্রামের মৃত নূর ইসলাম এর ছেলে ওজিউর রহমান(৪০)কেও আটক করে নিয়ে যান পুলিশ। পুলিশ নাভারন হাসপাতাল মোড় থেকে বিএনপি নেতাদেও ৫টি মোটরসাইকেল জব্দ কওে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানাগেছে। আটকের বিষয়টি জানার জন্য শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আকিকুল ইসলাম সরকারী মোবাইলে ফোন করলে তিনি তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি।