মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

ঢাবির ক্রিমিনোলজি বিভাগের ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ’ উদ্বোধন

জালাল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩
  • ১১২ Time View
জালাল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের  একাদশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  ‘সাংস্কৃতিক সপ্তাহ ২০২৩’ আজ ২৮ মে(২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ) রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে  উদ্বোধন করা হয়।
ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারপার্সন সহযোগী অধ্যাপক শাহারিয়া আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত অভিনেতা আবুল হায়াত, বিশেষ অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার ফারজানা রহমান। মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বলন এর  মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিভাগের চেয়ারপার্সন শাহারিয়া আফরিন। অনুষ্ঠানে বিভাগের  শিক্ষক,শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন বিভাগের শিক্ষক প্রভাষক সুমাইয়া ইকবাল এবং বিশেষ অতিথিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন প্রভাষক রেজাউল করিম সোহাগ। 
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, “সংস্কৃতি চর্চা একটি জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে। র‍্যাডিকালাইজেশনের এই যুগে সংস্কৃতি চর্চা শিক্ষার্থীদের মানসিক, চারিত্রিক বিকাশে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করেন তিনি। অপরাধবিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্ব দ্বারা সংস্কৃতিকেও কে সঙ্গায়িত করা সম্ভব, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন তিনি। প্রধান অতিথি আবুল হায়াত বলেন ,”ক্রিমিনোলজি বিভাগের এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত চমৎকার ও অনুপ্রেরণামূলক। ক্রিমিনোলজি বিভাগের সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি আরও বলেন, সমাজে অন্যায় অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে ক্রিমিনোলজির বিষয়গুলো জানা এবং অধ্যয়ন করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারপার্সন শাহারিয়া আফরিন উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ক্রিমিনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায় সবসময় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। সুনাগরিক হিসেবে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব এবং শিক্ষার্থীরা যেন সংস্কৃতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ হয় সে বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। সংস্কৃতি হচ্ছে সর্বজনীন চিন্তাধারা ও জীবনব্যবস্থা। ভবিষ্যতেও এমন সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৮ মে ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit