বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সেনেগালের কোচ হলেন সাবেক ফরাসি মিডফিল্ডার মুখে বলের আঘাত, আইসিইউতে আম্পায়ার যে ৫ খাবারে কমবে খারাপ কোলেস্টেরল পঞ্চমবারের মতো আইসিসির সেরা ক্রিকেটার ম্যাথিউস হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ বলায় ট্রাম্পকে ইরানের হুঁশিয়ারি নোবিপ্রবিতে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড দাবি করে ট্রাম্পের মানচিত্র প্রকাশ আটোয়ারী উপজেলার পরিত্যক্ত পুরাতন কৃষি অফিসের জমিসহ স্থাপনা দখলের চেষ্টা ! পুলিশের বাধায় দখল কাজ বন্ধ ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা

আইপিএলে লিটন-মুস্তাফিজদের পূর্বসূরী যারা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০৫ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : গত ৩১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে আইপিএলের ১৬তম আসর। ভারতীয় এই টুর্নামেন্টটি শুরু হয়েছে ২০০৮ সালে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আইপিএলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তবে নামের প্রতি সুবিচার করার সুযোগ এসেছে খুবই কম। 

চলতি এই আসরে লিটন দাস ও সাকিব আল হাসান ডাক পেয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। শেষ পর্যন্ত সাকিব এ বছর না খেলার সিদ্ধান্ত নিলেও মাঠে নামার সুযোগ পান লিটন। তবে মাঠে নামার আগে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২ ম্যাচ। সুযোগ পেয়ে ৪ বলে ৪ রান করেন এবং উইকেট কিপিং করে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন। তাতে লিটনের আর মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। আইপিএলে বাংলাদেশিদের জন্য এমন স্মৃতি এই প্রথম নয়।

প্রথম আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ডাক পেলেও মাঠে নামার জন্য আব্দুর রাজ্জাককে ১০ ম্যাচ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। যখন সুযোগ পেলেন, তখন নিজের ফর্ম তুলে ধরতে ব্যর্থ হলেন। প্রথম বলটিই করে বসেন নো বল। যেখান থেকে চার আদায় করেন গ্রায়েম স্মিথ। আর ফ্রি হিট থেকে মারেন ছক্কা। তাতে প্রথম বলেই রাজ্জাক দেন ১১ রান। সেই ম্যাচে ২ ওভার বল করে ২৯ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। এরপরে রাজ্জাকের আইপিএল ভাগ্য স্তিমিত হয়ে পড়ে। 

পরের বছরে কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলার সুযোগ পান মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। মাশরাফী মাঠে নামার জন্য অপেক্ষা করেছেন ১৩ ম্যাচ। তবে সুযোগ পাওয়ার ম্যাচেই দলকে জয়ের বদলে পরাজয় উপহার দেন। শেষ ওভারে প্রতিপক্ষের ২১ রানের বিপক্ষে মাশরাফী বল হাতে দুই ৬ ও দুই ৪ সহ দেন ২৬ রান। তাতে আইপিএল যাত্রা সেখানেই থামে।

২০০৯ সালেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশি আরেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। তার অপেক্ষা ছিল ১৪ ম্যাচের। খেলার সুযোগ হয়েছিল শেষ ম্যাচে। ব্যাট হাতে আশরাফুল সে দিন করেন ১০ বলে মাত্র ২ রান। ২০১২ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে ডাক পেয়েছিলেন তামিম ইকবাল। কিন্তু তিনি মাঠে নামার সুযোগ পাননি। তামিম, আশরাফুল, মাশরাফী এবং রাজ্জাকদের চেয়ে ব্যতিক্রম সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। সাকিব এবং মুস্তাফিজ দলকে শিরোপা জেতাতে ভূমিকা রেখেছেন।

তবে সাকিব-মুস্তাফিজকেও উত্তরসূরিদের মতো অপেক্ষা করতে হয়েছে ম্যাচের পর ম্যাচ। ২০১১ সালে সাকিবের আইপিএল যাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে নয় মৌসুম খেলেন ভারতীয় এই টুর্নামেন্টে। শিরোপা জিতেছেন কলকাতার হয়ে। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আইপিএলে ব্যতিক্রম বলা যায় মুস্তাফিজকে। ২০১৬ সালে আইপিএল অভিষেকেই সানরাইজার্স হায়াদরাবাদকে চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। তবে ধীরে ধীরে কাটার মাস্টারের বলের ধার কমতে থাকে। বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন তিনি। মাঠে নামার ক্ষেত্রে তাকেও যেন পূর্বসূরীদের মতোই মনে হয়।

কিউএনবি/আয়শা/২৯ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৯:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit