বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া যুক্তরাষ্ট্র এখনও উত্তর কোরিয়ার শত্রু, কেন বললেন কিমের বোন? ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অর্থনৈতিক অভিযানের ঘোষণা ট্রাম্পের চাঁদে পানির সন্ধানে শিগগিরই উড়াল দেবে ‘চাং’ই-৭’ হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবির জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে নিজেদের ‘নতুন ভূখণ্ড’ বলল ইরান বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ট্রাম্প বাড়াবাড়ি করলে রক্ষা পাবে না ইউরোপও, হামলার নতুন ছক ইরানের বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ব্যালট নিয়ে সংসদে যাবে ইসি টানা তৃতীয় বছরেও ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান গাজা: জাতিসংঘ তৃতীয় সন্তানের জন্যও ৩৬৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিজয়ের সরকার

কলম্বিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের হুমকি, ক্ষতির মুখে ৫৭ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কলম্বিয়ার তুষার আচ্ছাদিত আন্দিয়ান আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের আরেকটি মারাত্মক অগ্ন্যুৎপাতের হুমকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্চের শেষ দিক থেকে আগ্নেয়গিরিটির দৈনিক কম্পনের সংখ্যা ৫০ থেকে ১২ হাজারে উন্নীত হলে সেখানে অগ্নুৎপাতের হুমকি দেখা দেয়। অগ্নুৎপাত ঘটলে আশপাশের ৫৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরকারের জরুরি আহ্বান সত্ত্বেও কলম্বিয়ান আন্দিজের (আন্দেজ পর্বতমালার কলম্বিয়া অংশে) নেভাডো দেল রইজ আগ্নেয়গিরির পাদদেশে হাজার হাজার গ্রামবাসীকে তাদের ফসলের যত্ন নিতে এবং পশু পালনে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যেই সতর্কতার মাত্রা হলুদ থেকে কমলা পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

পাশাপাশি আগ্নেয়গিরির পাদদেশে বসবাসকারী সাড়ে সাত হাজার মানুষকে অন্যত্র সরে যেতে বলেছে। তবে বসবাসকারীদের অনেকই এলাকা ছেড়ে যেতে রাজি নয়।

প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা লুইস ফার্নান্দো ভেলাস্কো বলেন, ৫৭ হাজারের বেশি লোক এমন সব এলাকায় বাস করে যেগুলো অগ্নুৎপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে গ্রামবাসীদের কাছে গরু, ঘোড়া, ভেড়া, ছাগল এবং হাঁস-মুরগি থাকায় তারা সেগুলো চুরি যাওয়ার ভয়ে প্রতিরোধমূলক উচ্ছেদে রাজি নয়। সরকার বলেছে, আশপাশে ৮০ হাজার প্রাণীকে সরানোর ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

১৯৮৫ সালে এই অঞ্চলে নেভাডো দেল রইজের একটি ভয়াবহ অগ্নুৎপাত ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছিল। ওই অগ্নুৎপাতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আগ্নেয়গিরির তুষারের আচ্ছাদনের কিছু অংশ গলে যায় এবং কাদা, ছাই এবং পাথরের প্রচণ্ড প্রবাহ পাহাড়ের ধারে প্রবাহিত হয়ে আরমেরো শহরকে ঢেকে দেয়। এ ঘটনায় ২৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এটি ছিল দেশটির স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কর্তৃপক্ষ সে ধরনের আরেকটি ভয়াবহ অগ্নুৎপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে।

সূত্র : এএফপি, বাসস

কিউএনবি/অনিমা/০৮ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৫:৫৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit