সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গাজা যুদ্ধের প্রভাব মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে হরমুজ প্রণালি খোলা বা বন্ধ রাখা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে: ইরান স্পেনে ঢুকেও মেলেনি আশ্রয়, রাস্তায় মরক্কোর শত শত নাগরিক রুট নেতৃত্বে ফেরায় অবাক গিলক্রিস্ট ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন, টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের বিক্ষোভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদোর বিয়ের কার্ড, দাওয়াত পেয়েছিলেন মেসি? ‎সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাই গড়বে মেধাবী ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম—–লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী দুলু ইরানে হামলার বিষয়ে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন সৌদি যুবরাজ যুদ্ধবিরতি নাকি প্রতারণার ছক— ট্রাম্প আসলে কী চান?

মোদির সার্টিফিকেট চাওয়ায় কেজরিওয়ালকে জরিমানা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০২৩
  • ৯৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট দেখানোর প্রয়োজন নেই। শুক্রবার এমনটাই জানিয়ে দিলেন গুজরাট হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সার্টিফিকেট দেখতে চাওয়ায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। খবর এনডিটিভির। 

কেজরিওয়াল সিআইসির (সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন) কাছে মোদির বিএ এবং এমএ পাশের প্রশংসাপত্র দেখতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সিআইসি প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়কে সেই প্রশংসাপত্র দেখানোর নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধেই আদালতে গিয়েছিল গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়। 

গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি বীরেন বৈষ্ণবের একক বেঞ্চ শুক্রবার সিআইসির নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির প্রশংসাপত্রের বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার জন্য কেজরিওয়ালকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে সেই টাকা জমা করতে হবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।

আদালতের রায়ের কথা শুনে কেজরিওয়াল বলেন, ‘দেশের মানুষের কি জানার অধিকার নেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী কতটা শিক্ষিত? ওরা আদালতে ডিগ্রি দেখাতে এত আপত্তি করছেন কেন? যে ব্যক্তি ডিগ্রি দেখতে চাইলেন, তাকেই জরিমানা করা হলো? কী হচ্ছে এসব! একজন অশিক্ষিত বা স্বল্পশিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য বিপজ্জনক।’

২০১৬ সালে তথ্য জানার অধিকার আইনে দায়ের হওয়া একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইসি পিএমও, গুজরাট এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মোদির স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি সম্পর্কে তথ্য তলব করে। সিআইসির নির্দেশের বিরোধিতা করে গুজরাট হাইকোর্টে যায় গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনী হলফনামায় মোদির দাবি অনুযায়ী তিনি ১৯৭৮ সালে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং ১৯৮৩ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেছেন। 

কিউএনবি/অনিমা/৩১ মার্চ ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:০৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit