স্টাফ রিপোর্টার চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিনি ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে এ উপজেলায় যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই শুরু করেন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি। তিনি ভূয়া বিল-ভাউচার করে সরকারি অর্থ লোপাট করে চলেছেন। ঔষুধ সরবরাহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠন থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও কর্মচারীদের ভাতার টাকা, কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের টাকা, আপ্যায়নের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা জন্য বরাদ্দকৃত টাকা ও বিভিন্ন ট্রেনিংয়ের টাকা আত্মসাৎসহ রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়ম এবং এছাড়াও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানার নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ওষুধ সরবরাহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাকি মেডিসিন সাপ্লাই বৈকালীর স্বত্বাধিকারী আব্দুর রশিদ। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা।অভিযোগে তিনি বলেন, গত ২০২১-২০২২ অর্থ বৎসরে (এমএসআর) ৪৬ লাখ টাকার ওষুধ সরবরাহের কাজ পাই। সরবরাহ শেষে বিলের চেক আনতে গেলে তিনি বিলের ৫% অর্থাৎ ২ লাখ ৮০০০০ হাজার টাকা দাবী করেন, আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে বলতে থাকেন আপনি টুপি মাথায় দিয়েছেন কেন? দাড়ি রেখেছেন কেন ?। একজন বিসিএস কর্মকর্তা এমন আচারন করেন। পরবর্তীতে দাবীকৃত টাকা দিয়ে চেক নিয়ে আসি। বর্তমানে কার্যাদেশের বিপরীতে কার্য স¤পাদন জামানত ফেরৎ চাইলে তিনি টাকা দাবী করছেন। টাকা না দেওয়ায় বলেছেন এক বৎসরের আগে কার্য স¤পাদন জামানত ফেরত দেওয়া যাবে না। এই সব ঔষধ পত্র ও মালামাল ১ (এক) বৎসরের ওয়ারেন্টির জিনিস নয়। ভারী যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি পিরিয়ডে জামানত জমা থাকবে।
কিন্তু দরপত্র ক্রয়ের শর্তাবলীর ১৩ নম্বরে বলা হয়েছে নির্ধারিত অর্থবছরে কার্যাদেশ অনুযায়ী মালামাল সন্তোষজনকভাবে সরবরাহের পরপর কার্যস¤পাদনের জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হবে ( উক্ত সময়ের মধ্যে জামানতের টাকা ফেরত লইবার পূর্বে কর্তৃপক্ষ এম এস আর সামগ্রীর যেকোনো আইটেমের মালামাল পরিবর্তন/পরিবর্ধন করিতে পারিবেন। তবে তিনি ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে যে টেন্ডার প্রক্রিয়া করেছেন তা পি পি এ ২০০৬ ও পি পিআর ২০০৮ না মেনে স¤পূর্ণ অবৈধ প্রক্রিয়ায় করেছেন।
২০২২-২৩ অর্থ বছরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে চৌগাছা হাসপাতালে ঔষধপত্র (ইউসিএল বর্হিভূত), মালামাল সরবারাহের কার্যাদেশ পান মজুমদার ট্রেড কর্পোরেশন। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ওই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নামে ৭ টি বিল ভাউচারে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৯ হাজার ২শ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেন উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে। একই সাথে বিলের সমস্ত টাকা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ব্যতিরেখে ব্যক্তিগত একাউন্টে প্রদানের জন্য সুপারিশ করেন। বিলগুলো জমাদানের পর হিসাবরক্ষণ অফিসারের নজরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সকল বিল ভাউচার প্রাথমিক যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, বিল দাখিলের মধ্যে ব্যাপক ত্রুটি রয়েছে। একই সাথে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বাদে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নামে বিল ছাড় করা নিয়ম বর্হিভূত। তিনি বিলগুলো আটকে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার ইউনুস আলী।কোভিড-১৯ এর টিকাদান কর্মসূচির ১১টি ইউনিয়ন টিকা দানের কর্মসূচিতে সরকার থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দের সম্মানির টাকা, প্রত্যেক কর্মসূচিতে লোকবল ছিল প্রতিকেন্দ্রে ২ জন করে টিকাদান কর্মী এবং ১০১টি ওয়ার্ডে ৩জন করে স্বেচ্ছাসেবী । যার অনুকূলে বরাদ্দ লাখ লাখ টাকা টিকাদান কর্মীদের দেননি তিনি। স্বাস্থ্যকর্মীরা বলেন, ২০২০ সালের মার্চ থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন। ২০২১ সালের আগস্ট থেকে করোনার টিকা দিয়ে যাচ্ছেন। এই সময়ে সকল ইউনিয়নে ও ওয়ার্ডভিত্তিক সকল টিকা দিবসে টিকা প্রদান করেছেন। এছাড়া উপজেলা স্থায়ী কেন্দ্রে এই স্বাস্থ্যকর্মীরাই টিকা দিচ্ছেন।
সহকারী পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা তাসলিমা খাতুন, কোহিনুর আক্তার, লুৎফুন্নেসা ও একাধিক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক কর্মীরা জানান, হাসপাতালের ২০ জন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ২৭ জন সহকারী পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, টিকাদানকর্মীরা ও স্বেচ্ছাসেবীরা ২০২১ সালের ৭ আগষ্ট থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৬ দিন কাজ করেন। কিন্তু তাদের কোনো টাকা দেওয়া হয়নি। বরং সকল সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (এএইচআই) ও পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা টিকাদান কর্মীদের তার রুমে ডেকে নিয়ে ৮০০০ টাকার ও ২০০০ টাকার রেভিনিউ স্ট্যা¤েপর বিলে স্বাক্ষর করে নিয়েছেন। সবগুলো বিলের কাগজপত্র (ইউএইচএফপিও) কাছে আছে। কোনো বিলই এখন পর্যন্ত কাউকে দেননি।
এছাড়া ও টিকাদানকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, চলতি বছরের প্রতিদিন প্রতিটি টিকাদানকর্মীদের সম্মানী ভাতা ৫০০ টাকার স্থলে ৩৯০ টাকা করে দেন। যদিও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী টিকাদানকর্মীদের সম্মানী ভাতা বাবদ ৫০০ টাকা করে। তিনি সিভিল সার্জনকে দিতে হবে বলে ১১০ টাকা করে কেটে রাখেন (ইউএইচএফপিও)। কিসের টাকা কাটছেন বললে টিকাদান কর্মীদের সাথে (ইউএইচএফপিও) দুর্ব্যবহার করেন। এছাড়া টিকাদানকর্মীরা জানান, প্রত্যেকটি টিকা দিবসে আপ্যায়নের জন্য বরাদ্দ থাকলেও না দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি।সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিল বেনামে উত্তোলন করার অভিযোগ রয়েছে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরের হাসপাতালের অভ্যন্তরে সাব-সেন্টারের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার বিল বাবদ লাখ লাখ আত্মসাত করছেন তিনি।
২০২১-২০২২ অর্থবছরের হাসপাতালের অভ্যন্তরে পাশাপোল, জগদীশপুর, নারায়নপুর ও সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ৪টি সাব-সেন্টারের ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর এ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৯৯ হাজার ৮৪০ টাকা (যার রেজিঃ নং ৯৯০৪)। ২৬ জুন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতায় খরচ দেখানো হয়েছে ৪৯ হাজার ৯২০ টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৫৪৫)। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ৪ টি সাব- সেন্টারের কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বিজয় কৃষ্ণ অধিকারী, আল আমিন, মহিবুল ইসলাম ও তাসলিমা খাতুন বলেন, ২০২১ সালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ কোনো টাকা আমাদের প্রদান করা হয় নি। কোনো টাকাও উত্তোলন করিনি। ২০২২ সালের ২৭এপ্রিল হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬০০ টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৩৯৯৪)। একই মাসে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ১ ০০.লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৩৪৪৩)। ২০২২ সালের ২৬ জুন হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৬২০০০ হাজার টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৩৮৬)।
২০২২ সালের ২৮ জুন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পিট নির্মাণে আপ্যায়ন বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭৫০ টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৫৮২),একই তারিখে পিট নির্মাণে ৩টি সাউন্ড সিস্টেমের জন্য খরচ দেখানো হয়েছে ৩০০০ হাজার টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৫৮১), ৩টি ফটোকপি বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩০০০ হাজার টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৫৮৩), ৩টি সভার ব্যানার তৈরি করতে খরচ দেখানো হয়েছে ৪০০০ হাজার টাকা ( যার রেজিঃ নং ২৮৫৮৪), জুন মাসের একই তারিখে ৩ বারে পিট নির্মাণে সম্মানী বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা ( যার পর্যায় ক্রমে রেজিঃ নং ২৮৫৮৫,২৮৫৮৬,২৮৬৮৭)।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা,পিট নির্মাণে, ফটোকপি,ব্যানার তৈরি বাস্তবে এ সমস্ত কোনো কাজের দেখা মেলেনি। ভূয়া বিল ভাউচার করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। ২০২২ সালের ২৫জুন হাসপাতালের অভ্যস্তরে ৪টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য খরচ দেখানো হয়েছে ৬,৪৬,৩৮০ টাকা (যার রেজিঃ নং ২৮০৭৫), একই মাসে ২৭ তারিখে খরচ দেখানো হয়েছে ৫১ হাজার ৬০০ টাকা (যার রেজিঃ নং ২৮৫৬০)। এছাড়া ২০২২ সালের হাসপাতালের অভ্যন্তরে ৪টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা প্রতিনিধিকে বলেন, চলতি বছরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য কোনো বরাদ্দ আমাদের দেওয়া হয় নি। কোনো বিলও আমরা জমা দেয়নি। কোনো টাকাও উত্তোলন করিনি। এছাড়া ২০২২ সালের ২৮ জুন কোভিড ১৯ টিকাদান কর্মসূচিতে প্রতি ইউনিয়নে মাইকে প্রচার বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩৩০০০ হাজার টাকা (যার রেজিঃ নং ২৮৬৪৬)।
প্রতিটি ইউনিয়নে টিকা দেওয়ার জন্য এলাকার মসজিদের মাইকে বলে মাইকে প্রচারের হাজার হাজার টাকাও আত্মসাৎ করের তিনি। এছাড়াও ২০২২ সালের ৩০ জুন কোভিড ১৯ টিকাদান কর্মসূচির স্বেচ্ছাসেবকগনের সম্মানী বাবদ ৮ লাখ ৮২০০০ টাকা (যার রেজিঃ নং২৮৬৪৭) নিজে বিল প্রস্তুত করে উত্তোলন করেছেন তিনি। অথচ এই অর্থ হাসপাতালের কোন স্টাফদের মাঝে প্রদান করা হয়নি বলে জানান অফিসের কর্মচারীরা।একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০২১-২২ সহ বিভিন্ন জাতীয় ও গুরুত্বপুর্ণ দিবস সঠিকভাবে পালন করেন না। অধিকাংশ জাতীয় দিবসগুলো তিনি অফিসের সকল স্টাফদের নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়ে দায় সারা হিসেবে শেষ করেন। এক্ষেত্রে সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার হয় না এবং সরকারী মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সরকারের একটি নির্দিষ্ট সময় দিয়ে সারা বাংলাদেশে তা একযোগে পালন করার নির্দেশ থাকলেও নামমাত্র রেজুলেশন করে পুষ্টি সপ্তাহের অর্থ উত্তোলন করেন তিনি। সাত দিনের কার্যক্রম একদিনে শেষ করণ। হাসপাতালের অন্তবিভাগে সাধারণ রোগীরা তালিকা অনুযায়ী খাবার পান না। খাবারে উন্নত মানের মাছ ও খাশির গোশতের পরিবর্তে নিন্ম মানের মাছ ও ব্রয়লার মুরগী দেয়া হয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শকরা বলেন, ২০২২ সালের ১৭আগস্ট সহকারী স্বাস্থ্যকর্মীদের হাম নিরীক্ষণ ট্রেনিং বাবদ ৬০০ টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০০ টাকার বিল ভাউচারে স্বাক্ষর করে নিয়েছেন । কিন্তু ৩০০ টাকার বিল ভাউচারে স্বাক্ষর করে নিলেও কোনো টাকা দেয়নি সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শকদের। এছাড়া প্রত্যেকটি ট্রেনিংয়ে ৬০০ টাকা করে একটি ব্যাগ দেয়ার কথা থাকলেও কোন ট্রেনিংয়ে ব্যাগ দেওয়া হয় না। এছাড়াও সব প্রকার বিল, ভাউচারে তাকে কমিশন না দিলে তিনি বিলে, স্বাক্ষর করেন না।এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা বলেন, ওষুধ সরবরাহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাকি মেডিসিন সাপ্লাই এর স্বত্বাধিকারী আব্দুর রশিদ আমার নিকট লিখিত একটি অভিযোগ করেছিলেন। আমি অভিযোগটি ফরওয়ার্ডিং করে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট পাঠিয়েছি। জেলা প্রশাসক মহোদয় সিভিল সার্জনের নিকট পাঠিয়েছেন ।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহার বলেন. আমি কাগজ পত্র না দেখে কিছু বলতে পারবো না। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কেউ আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এসব মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। আমি হাসপাতালটিতে অনেক নতুন কিছু সংযোজন করেছি।
যশোরের সির্ভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, চৌগাছা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে লিখিত পাইনি। পাইলে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিউএনবি/অনিমা/১৮ ডিসেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৬:৫৪