শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

আখাউড়ায় স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় অবশেষে আদালতে মামলা

বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৯৫ Time View

বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ছুরিকাঘাতে সপ্তম
শ্রেণির ছাত্রীকে আহত করার ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে।সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।  আহত ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় বখাটে তরুণ শামীম মিয়াকে (২০) আসামী করা হয়েছে। বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ৮ নভেম্বর ঘটনার পরপর ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় অভিযোগ দেন। তবে পুলিশ এটিকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেনি। পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করলেও সুরাহা পাননি ভুক্তভোগীর পরিবার। আহত ওই ছাত্রী উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বখাটে তরুণ শামীম মিয়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামের বাসিন্দা। শামীমের স্বজনরা প্রভাবশালী। 

মামলার ও আহত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত এক মাস ধরে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে ওই শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল শামীম। ওই শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করত বখাটে ওই তরুণ। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় শামীম। কিন্তু এতে রাজি না হওয়ায় ওই শিক্ষার্থীকে হুমকি দেন ওই বখাটে তরুণ। গত ৮ নভেম্বর বিদ্যালয় ছুটি শেষে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় ওই শিক্ষার্থী। বাড়ি ফেরার পথে মাহফুজ মাস্টারের বাড়ির দক্ষিণপাশে রাস্তার উপর এলাকায় আরেক বখাটেকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে এসে ওই শিক্ষার্থীর পথরোধ করে শামীম। ওই সময় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে ওই শিক্ষার্থীর বাম হাত টেনে ধরে কনুইয়ের নিচে আঘাত করে বখাটে শামীম।

ওই শিক্ষার্থী চিৎকার শুরু করলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ঘটনার পরপর শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ের প্যাডে প্রধান শিক্ষক শশাঙ্ক রায় চৌধুরী শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত ও শারীরিক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) স্মারকলিপি দেন। ওই শিক্ষার্থীর বাবা ও ভাই জানান,  ঘটনার পর আহত শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়। অপমানে বিদ্যালয়েও যাচ্ছে না। বখাটের পরিবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার প্রস্তাব দিচ্ছে। থানা পুলিশ বলছে অভিযোগ মিথ্যা। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেও কোনো লাভ হয়নি। নিরুপায় হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে।

কিউএনবি/অনিমা/১৫ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit