বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বলিভিয়াকে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ কৃষক কার্ড-ফ্যামিলি কার্ড স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে: প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া কার্ড চালু, মাসে কত টাকা পাবেন খেলোয়াড়রা উন্নয়নের নামে শুধু মেগা দুর্নীতি করা হয়েছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফুলবাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওধুধ রাখায় জরিমানা ‘পুলিশ হত্যার বিচার শুরু হলে বাংলাদেশ লণ্ডভণ্ড করে দিব’ আসিফ মাহমুদের এ বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেল টাকা ছাপাতে চাই না, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে: অর্থমন্ত্রী কাতারের তেলের ট্যাংকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

পানি ও পয়োনিষ্কাশনে পৃথক বরাদ্দ দাবি তথ্যমন্ত্রীর

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৫০ Time View

ডেস্ক নিউজ : জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে দেশের পানি ও পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার  ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই খরচ মেটাতে বিশ্ব জলবায়ু তহবিল থেকে পৃথকভাবে অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং পরিবেশবিদ ড. হাছান মাহমুদ।  

আফ্রিকার মিসরে শারম আল শাইখ শহরে চলমান ২৭তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটার এইড আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পানি ও পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতির ওপর আলোকপাত’ সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. হাছান এ দাবি তুলে ধরেন।   

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে পানি ও পয়োনিষ্কাশনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির এ বিষয়টি প্রথমে অনেকে স্বীকারই করতে চায়নি। অথচ বাংলাদেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অনেক দেশের জনজীবনে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজনের জন্য বরাদ্দ থেকে অর্থায়ন নয়, এই ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও নিরসনের জন্য আলাদা খাত তৈরি করে পৃথকভাবে অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।  

কপ২৭-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত আশাপ্রদ উল্লেখ করেন মন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা সবাই এখানে ভালো ভালো কথা বলছি, কিন্তু যুদ্ধ যদি বন্ধ না হয় তাহলে জলবায়ু অর্থায়নের কী হবে! অর্থাৎ আমরা যদি সত্যিই পৃথিবীকে রক্ষা করতে চাই, তবে অবিলম্বে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। ’ 

ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশের পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিকর প্রভাবের মধ্যে সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা ও পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অসময়ী বৃষ্টিপাত, খরা ও উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত জলের হানা বেড়ে যাওয়া, নদীতীর ক্ষয়, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রকোপ, শহরাঞ্চল ও জলাধার সন্নিকট এলাকায় চকিত বন্যায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। বেলজিয়ামের লিম্বুর্গ ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাম থেকে পরিবেশ রসায়ন গবেষণায় ডক্টরেট হাছান মাহমুদ।  

দেশে গত ১৫ বছরের ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে ২০০৭ সালের সিডরে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার, ২০০৯ সালের আইলায় ১ বিলিয়ন ডলার, ২০১৬ সালে রোয়ানুতে ১২৭ মিলিয়ন ডলার, ২০১৯ সালে ফণীতে ৬৩.৬ মিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালে আম্ফানে ১৩ মিলিয়ন ডলার, ২০২১ সালে ইয়াসে খুলনাতে ৭ লাখ ডলারসহ ২০২২ সালের অশনি ও বিভিন্ন সময়ে বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক বিবরণ তুলে ধরেন বক্তারা।

ওয়াটার এইডের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি পরিবেশবিদ সেলিম উল হক, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ কলিন ম্যাককুইস্টান, পরিবেশ গবেষক মো. শামস-উদ-দোহা, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের পরিচালক পার্থ হাফেজ শাইখ এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেসি অফিসার আদনান কাদের এই সেশনে বক্তব্য দেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৪৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit