শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পুরুষদের জন্য ‘গর্ভনিরোধক’ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, চেম্বার সভাপতির প্রশংসা সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের ৪৪তম অধিবেশন শুরু এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মেলানিয়া ট্রাম্প লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু ‘বিএনপির ভেতর রাজাকার নেই, সব জামায়াতে’ মির্জা ফখরুলের নামে ফটোকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল বিরোধী দল কি শিক্ষার্থীদের হত্যা করে লাশের রাজনীতি করতে চায়: রাশেদ খাঁন দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: অর্থমন্ত্রী

আদালতে মামুনুল হক

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : ধর্ষণ মামলায় সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে। তার বিরুদ্ধে আজ অভিযোগপত্রের ১৯, ২০, ২১ ও ২২তম সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেবেন। তারা সবাই পুলিশ কর্মকর্তা। সেই সঙ্গে আগের ধার্য তারিখে বাকি থাকা অভিযোগপত্রের ১৬, ১৭, ১৩ ও ১৪তম সাক্ষীরও সাক্ষ্য নেওয়ার কথা রয়েছে। এদের মধ্যেও দুজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেলা কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হবে। এদিন বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। সম্ভাব্য সাক্ষ্যদাতারা হলেন— সোনারগাঁও থানার তৎকালীন এসআই আরিফ হাওলাদার, বোরহান, মো. কোবায়েদ হোসেন ও নুরুল ইসলাম।

অন্য সাক্ষ্যদাতারা হলেন— সোনারগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক সাইদুজ্জামান, এসআই ইয়াউর রহমান এবং তার আগের তারিখে বাকি থাকা পারভেজ ও মেহেদী হাসানেরও সাক্ষ্য নেওয়ার কথা রয়েছে। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আটজনের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এ সময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এর পর ২০২১ সালের ১৮ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। মামুনুল হকের দাবি, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে ঘটনার প্রায় চার সপ্তাহ পর সোনারগাঁও থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১২:৫৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit