মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বগি উদ্ধার, পৌনে ৭ ঘণ্টা পর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ৫ আগস্ট জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন: পানিসম্পদ মন্ত্রী জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৪ কেজির তবল মাছ বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কাল, সবার জন্য উন্মুক্ত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‌‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে সন্তান ফিরে পেলেন কিশোরী মা সিল্কসিটি ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যোগাযোগ বন্ধ

জ্বরঠোসা ওঠে কেন?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২
  • ১২৫ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : যা প্রচণ্ড ব্যথা ও চুলকানির সৃষ্টি করে। আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে ফুলে যায়। জ্বরঠোসা হলে মুখ খুলে খাবার খেতে এমনকি কথা বলা বা হাসতে গেলেও কষ্ট হয়। জ্বরঠোসাকে চিকিৎসার পরিভাষায় ফিভার ব্লিস্টার বলা হয়। রাতে জ্বর এলেই যে জ্বরঠোসা হয়, তা কিন্তু নয়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মত ভিন্ন। জ্বরঠোসা হওয়ার আরও কারণ আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিভার ব্লিস্টার হওয়ার কারণ হলো এইচএসভি ১ সংক্রমণ। এই সংক্রমণের ফলে জ্বর আসে। আবার জ্বরের কারণেও ফিভার ব্লিস্টার হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে এ সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এ ছাড়া ভিটামিন সি ও ডি-র ঘাটতি হলেও জ্বরঠোসা হতে পারে। জানলে অবাক হবেন, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই এইচএসভি ১-এ আক্রান্ত হন, যা সুপ্ত অবস্থায় থাকে। প্রথমবার হওয়া ফিভার ব্লিস্টার সেরে যাওয়ার পর এইচএসভি ১ স্নায়ুকোষে লুকিয়ে থাকে। পরবর্তী সময়ে আবারও এটি প্রকাশ পায়।

ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে জ্বরঠোসা সারাবেন:
বরফ: জ্বরঠোসার স্থানে বরফ ব্যবহার করলে ব্যথা কমে। এ জন্য একটি কাপড়ে বরফ মুড়ে ক্ষতস্থানে ৫ মিনিট ধরে রাখুন। তবে ১৫ মিনিটের বেশি নয়। ত্বকে সরাসরি বরফ লাগাবেন না, তাহলে ক্ষত আরও বাড়তে পারে। দৈনিক তিনবার করে অন্তত পাঁচ দিন ব্যবহার করুন আইসপ্যাক। জিংক থেরাপি: ২০০১ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, জিঙ্ক অক্সাইড ও গ্লাইসিনযুক্ত একটি ক্রিম প্লেসবো ক্রিমের তুলনায় ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসকে কোষে প্রবেশ করতে বাধা দিতে জিঙ্ক অক্সাইডের ভূমিকা আছে। এ জন্য অবশ্যই জিঙ্ক সালফেট সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। সাময়িক চিকিৎসার জন্য, আপনি দিনে চারবার করে ঘা না শুকানো পর্যন্ত জিঙ্ক অক্সাইড ক্রিম প্রয়োগ করতে পারেন। অরেগানো অয়েল: হারপিসসহ বিভিন্ন ভাইরাসকে বাধা দিতে প্রাকৃতিক এই তেল বিশেষ কার্যকরী। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থানে পাতলা করে তেল প্রয়োগ করুন। একটি তুলার বলে অরেগানো তেল দিয়ে সারা দিন কয়েকবার আক্রান্ত স্থানে লাগান।

চাগাছের তেল: টি ট্রি অয়েলও বিভিন্ন প্রদাহ সারাতে কাজ করে। একটি তুলার বলে চাগাছের তেল নিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার জ্বরঠোসায় ব্যবহার করুন। দেখবেন দ্রুত সেরে যাবে ঘা। আপেল সিডার ভিনেগার: সামান্য আপেল সিডার ভিনেগারের সঙ্গে পানি মিশিয়ে তুলার বল ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে কয়েক মিনিটের জন্য ধরে রাখুন।
সূত্র: হেলথলাইন

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit