বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিস্তৃত হচ্ছে যুদ্ধ? বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বানাচ্ছে সৌদি আরব, ছাড়িয়ে যাবে বুর্জ খলিফা টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পিএসসির ৮ ক্যাটাগরির ৩১ জুলাইয়ের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কারিগরি বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী ওয়ানডেতে নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক লিটন দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে

নিষেধাজ্ঞা শেষে কাল সাগরে নামছেন জেলেরা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০২২
  • ১৬১ Time View

ডেস্কনিউজঃ টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলের জেলেরা। সরকার ঘোষিত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার রাত ১২টায়। ট্রলার মেরামত, নতুন জাল তৈরি ও পুরানো জাল সেলাইসহ সমুদ্রে মাছ ধরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অপেক্ষায় আছে উপকূলের মৎস্যজীবীরা।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর হচ্ছে মৎস্য সম্পদের ভাণ্ডার। এই ভাণ্ডার যথাযথ সংরক্ষণ ও মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার তথা মৎস্য বিভাগ জেলেদের পুর্নবাসনের পাশাপাশি কঠোর বিধি-নিষেধ এবং শাস্তির বিধান রেখে গভীর কিংবা অগভীর সমুদ্র সীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা ৬৫ দিনের জন্য সব প্রকারের মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় লাখ জেলের জীবিকা নির্বাহ হয়ে আসছেন। জীবিকার তাগিদে গভীর কিংবা অগভীর বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করে সমগ্র দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।

মৎস্য বন্দর আলীপুরের জেলে রফিক মাঝি বলেন, ‘সরকার ঘোষিত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আমরা পালন করেছি। আমরা ইতোমধ্যে ইলিশ মাছ ধরার সকল প্রস্তুতি শেষ করেছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় কাল সমুদ্রের বুকে মাছ শিকারে যাব।’

মহিপুর মৎস্য বন্দরের একাধিক জেলে জানান, গত বছর ইলিশের ভরা মৌসুমে মাছ না পেয়ে উপকূলের জেলেরা ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। তারপরও সরকারের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মাছ শিকার থেকে বিরত ছিলেন তারা। অবরোধ শেষে সমুদ্রে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়লে দেনা পরিশোধ করতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

কুয়াকাটার রাসেল ফিসের মালিক রাসেল বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে শুধু লোকসান গুনতেছি, লাভের মুখ দেখতে পাই না। এ পেশা ছেড়ে দেওয়ার উপক্রম। এ বছরও দেখব। মাছ না পাওয়া গেলে আগামী বছর এই পেশা ছেড়ে দেবো।’

কুয়াকাটা মৎস্যজীবী জেলে সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল মোল্লা বলেন, ‘অবরোধকালীন সময় যদি প্রতিবেশী দেশের জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমানায় মাছ না ধরত তাহলে জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ত। এবার প্রশাসনের তৎপরতা বেশি থাকায় উপকূল জুড়ে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে অবরোধের সময় বাংলাদেশের জলসীমানায় ঢুকে মাছ শিকার করেছে পাশ্ববর্তী দেশের জেলেরা।’

জেলা মৎস কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ বলেন, ‘অবরোধকালীন উপজেলার ১৮ হাজার ৩০৫ জন জেলেকে ৮৬ কেজি খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। বিভিন্ন সময় জেলেদের জেল-জরিমানাও করা হয়েছে।’

কিউএনবি/বিপুল/ ২২.০৭.২০২২/ সন্ধ্যা ৭.৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit