শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কিমের নতুন নির্দেশ, ১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ বানাবে উত্তর কোরিয়া বাছুরে ভয়ংকর পরজীবী শনাক্ত, বড় সিদ্ধান্ত কানাডার মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি খরা-বন্যা-সংঘাতে ঘরছাড়া সোমালিয়ার লাখো মানুষ, তীব্র খাদ্যসংকট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দুই উপ-উপাচার্য নিয়োগ নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রোববার বিয়ের ৪ দিনের মাথায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে আলোচনায় ড. ইউনূস রাত ১টার মধ্যে ঢাকাসহ ১৮ অঞ্চলে ঝড়ের সতর্কবার্তা প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ঋতুপর্ণার গোল, সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি ভয়ংকর অপরাধ : হাইকোর্ট

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২
  • ১২৬ Time View

ডেস্কনিউজঃ প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি জঘন্য অপরাধ; যারা এই কাজে জড়িত তাদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছে উচ্চ আদালত।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নথি জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় ফাতেমা খাতুনের জামিন বিষয়ে রুল খারিজ করে আজ রায় দিয়েছে হাইকোর্ট বিভাগ।

বিচারপতি মো: নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো: ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

এ সময় আদালত বলে, প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি জঘন্য অপরাধ, যারা এই কাজে জড়িত তাদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আদালত আরো বলে, প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের জামিন দেয়ার প্রশ্নই উঠে না। তাদের জেলে থাকতে হবে।

আদালতে ফাতেমার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন মেহেদী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরঃকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো: আব্দুর রউফ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়।

সেই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে গেলে তিনি ফোনে ছাত্রলীগের নেতা তরিকুলকে জানান যে, এম আবদুস সালাম আজাদ কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অনুমোদন পাননি।

এরপর তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা। সেই নথিতে ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে সেখানে ক্রস চিহ্ন দেন তরিকুল। একইভাবে অধ্যাপক মো: আব্দুর রউফের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিয়ে এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নামে পাশে টিক চিহ্ন দেন তিনি। পরে নথিটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

ওই নথি হস্তান্তরের আগে ফাতেমা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন এবং আরেক দফায় তার ছেলের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নেন বলে মামলায় বলা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৫ মে এ ঘটনায় মামলা করেন। এ মামলায় ফাতেমা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত শুনানি নিয়ে তার জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে। ওই রুলের শুনানি শেষে আজ রুলটি খারিজ করে রায় দেয় হাইকোর্ট বিভাগ।

সূত্র : বাসস

কিউএনবি/বিপুল/১৩.০৬.২০২২/ সন্ধ্যা ৭.৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit