বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সেরা ৫ ইনিংস নওগাঁয় হত্যা মামলায় আসামি সাংবাদিক; জানেন না বাদী নিজেই ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে বোচাগঞ্জে একতা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের উদ্বোধন আটোয়ারীতে সমবায়ীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিং আজও ক্রিকেট বিশ্বে যে কারণে অনন্য কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাছ ব্যবসায়ীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে টাকা ছিনতাই কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত সুরক্ষিত দেয়ালে অরক্ষিত অট্টালিকা: ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বিরামপুরে রক্ষুনী কান্ত বাবুর জমিদার বাড়ি॥

আগাম বর্ষায় বোরো ক্ষেত পানির নিচে

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ২৯ মে, ২০২২
  • ১৮৫ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : আগাম বর্ষায় শরীয়তপুর সদর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের হাজার বিঘা জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। বোরো ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য কৃষি বিভাগের আগাম শতর্কবার্তা থাকলেও কৃষানের অভাবে শেষ রক্ষা হয়নি কৃষকের। যেটুকু ক্ষতি অবশিষ্ট ছিল তা পূর্ণ হয়েছে লাগাতার বৃষ্টিতে। কৃষি নির্ভর কৃষকেরা পথে বসার উপক্রম। কৃষি বিভাগ ও কৃষকদের দেওয়া তথ্য সূত্রে জানাগেছে, শরীয়তপুর সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ ৫ হাজার ৩৯২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করে।

৯০ ভাগ লক্ষমাত্রা অর্জন না হতেই ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাব পরে কৃষিতে। আগাম বর্ষার পানি বোরো ক্ষেতে প্রবেশ করায় ক্ষতির সম্মুখিন হয় সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চরের কান্দি ও শৌলপাড়া ইউনিয়নের কয়েকটি বোরো ব্লক। সঠিক সময়ে কৃষাণ না পাওয়ায় বর্ষার পানিতে ধান তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া ধান থেকে চারা গজিয়ে আবার বীজতলায় রূপান্তরিত হয়েছে বোরো ক্ষেত। হাজার টাকার শ্রমিক পানির নিচ থেকে ২ মনের বেশী ধান উঠাতে পারছে না। কৃষি নির্ভর পরিবারগুলো পথে বসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উৎপাদন খরচতো দূরে থাক, পানির নিচ থেকে ধান কাটার খরচও উঠছে না কৃষকদের।

বিনোদপুর চরের কান্দি ব্লক ম্যানেজার হারুন মাদবর জানায়, তার ব্লকে প্রায় ৬০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আগাম শতর্কবার্তা দিলেও কৃষানের অভাবে ধান কাটা সম্ভব হয়নি। আগাম বর্ষার পানি ব্লকে ঢুকে পড়ায় নিচু জমির ধাত তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া ধান থেকে চারা গজিয়ে বড় হয়ে গেছে। যে সকল ধান পানির উপরে দেখা যায় তা ৮০০ টাকা দিন হাজিরা ও ৪ বেলা খাবারের বিনিময়ে শ্রমিক দিয়ে কাটাচ্ছি। শ্রমিক প্রতি হাজার টাকার বেশী খরচ হয়। একজন শ্রমিক ২ মনের বেশী ধান উঠাতে পারে না। জমি থেকে উঠিয়ে আনা ধান ও ঘরে রাখা ভেজা ধানে চারা গজাতে শুরু করেছে। এক কথায় সব দিক থেকে আমাদের ক্ষতি।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তন্ময় দেবনাথ বলেন, আমরা কৃষকদের পাশে থেকে পরামর্শ দিয়ে থাকি। এইবারও আগাম বন্যার শতর্কবার্তা দিয়েছিলাম। কৃষাণের অভাবে কৃষকের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েগেছে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মমর্তা অলি হালদার বলেন, আমাদের বোরো ফলন খুবই ভাল হয়েছিল। লক্ষমাত্রাও অর্জণ করতে সক্ষম হয়েছি। আগাম বর্ষার সম্ভাবনা থাকায় ৮০ শতাংশ পাকা ধান কৃষকদের ঘরে তুলতে আহবান জানানো হয়। কৃষাণের সংকটে উপজেলার বিনোদপুর ও শৌলপাড়া ইউনিয়নের কয়েকটি ব্লকের কিছু ধান তলিয়ে কৃষকের ক্ষতি হয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:০৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit