সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তিন দিনেই ৩৮৪ কোটি, এবার হংকংয়ে ‘রামায়ণ’ ‘অনেক ডিসেম্বর আসবে-যাবে, আওয়ামী লীগ আর ফিরবে না’ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন জনগণ মেনে নেবে না: রিজভী দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৩৩৩ নতুন বছরে বই-ড্রেস-জুতা-ব্যাগ পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: ড. তিতুমীর ১৭ বিলিয়ন ডলার খরচে ডাটা সেন্টার নির্মাণ করছে গুগল নওগাঁ সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি তাহের, সম্পাদক বাবুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন নেতাদের সাক্ষাৎ

মগড়া নদী উদ্ধারের নামে জমির মালিকদের হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

শান্তা ইসলাম নেত্রকোণা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৪২ Time View

শান্তা ইসলাম নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণা জেলা শহরের মগড়া নদী উদ্ধারের নামে বৈধ জমির মালিকদের উচ্ছেদের চেষ্টা এবং নদী খনন প্রকল্পে সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নদীতীরবর্তী ভূমির মালিকেরা।

রোববার (৮নভেম্বর) সকালে জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কতিপয় কর্মকর্তার সহযোগিতায় একটি প্রভাবশালী চক্র সরকারি বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা লুটপাটের পাঁয়তারা করছে। একই সঙ্গে সিএস নকশার দোহাই দিয়ে বৈধ জমির মালিকদের উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে পাউবোর কর্মচারীরা কোনো নোটিশ ছাড়াই নদীতীরবর্তী বসতবাড়ি ও দোকানপাটে গিয়ে সিএস নকশা অনুযায়ী জমি পরিমাপের চেষ্টা করেন।

এর প্রতিবাদে ওই বছরের ২২ মে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর গণস্বাক্ষরসহ আবেদন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মগড়া নদীর সীমানা নির্ধারণ ও দখলমুক্ত করার বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা রিট পিটিশন ৫১৬১/২০২৫ হাইকোর্টে বিচারাধীন। তাঁদের দাবি, বিআরএস রেকর্ড অনুযায়ী বৈধভাবে কেনা ও ভোগদখলে থাকা জমি কেবল সিএস নকশার ভিত্তিতে উচ্ছেদের উদ্যোগ আইনসম্মত নয়। নদী খনন প্রকল্পের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মগড়া নদীর মাত্র ৪১ কিলোমিটার খনন করা হলে উজান ও ভাটির ১১৪ কিলোমিটারে পলি জমে পুনরায় খনন করা অংশ ভরাট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয় হতে পারে। এ ছাড়া ১ দশমিক ৫ থেকে ২ মিটার গভীর করে খনন করা হলে সাতপাই, মোক্তারপাড়া, কাটলী ও আরামবাগ এলাকার জনবসতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

পৌর এলাকায় নদীর দুই তীরে প্রায় ১৪ কিলোমিটার জায়গা থাকলেও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা মাত্র ৮০০ মিটার করে বলেও আপত্তি জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে বৈধ জমির মালিকদের হয়রানি ও উচ্ছেদের উদ্যোগ বন্ধ, সব ভূমি রেকর্ড বিবেচনায় নিয়ে স্বচ্ছ জরিপ, প্রকল্পের ডিপিপি, ব্যয় ও দরপত্রের তথ্য প্রকাশ এবং খননের কারিগরি ও পরিবেশগত প্রভাব যাচাইয়ে স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান ইমন। এ সময় আজহার খান আবু, মো. আলাউদ্দিন, জামাল উদ্দিন খানসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। ভূমির মালিকেরা বলেন, তারা নদী দখল ও দূষণমুক্ত করার বিরোধী নন। তবে নদী উদ্ধারের নামে বৈধ জমির মালিকদের হয়রানি ও সরকারি অর্থের অপচয় মেনে নেবেন না।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৮ নভেম্বর ২০২৬,/বিকাল ৫:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit