রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির লাইভে রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনা নিয়ে যা বললেন মিয়া গোলাম পরওয়ার ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাতে কর্মজীবনে প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণ টেকসই করতে পক্ষদের নিয়ে সংস্কার বাস্তবায়ন করবে সরকার আইপিএল সুন্দরীর বিয়ের ‘বাক্সবন্দি’ কার্ডের রহস্য পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে গেজেট প্রকাশ আফগান শরণার্থীদের পাকিস্তানে পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র স্পিকারের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ৫৩ বছরে পা রাখা ঐশ্বরিয়া কত সম্পত্তির মালিক?

দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভোট চুরি করে গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে- দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার সমাবেশ থেকে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করে তার পদত্যাগের দাবিতে সরব হন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

রোববার ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিল্লির রামলীলা ময়দানে এই সমাবেশের আয়োজন করে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন, নির্বাচনী অনিয়ম এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা এতে অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘আমরা হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে। ভোট লুট করেছে বিজেপি, দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে।’ তার অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, রাজ্যে এক কোটিরও বেশি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আক্রমণ করে মমতা বলেন, শুধু ভোট নয়, গণনার প্রক্রিয়াও কার্যত অদৃশ্য করে দেওয়া হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ করে ‘ভ্যানিশ কুমার’ নাম ব্যবহার করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি একসঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে বলে তার অভিযোগ।

বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, এর প্রকৃত উদ্দেশ্য বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়া। তার অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় শুধু ভোটাধিকার নয়, বাংলার মানুষের চাকরি, সম্মান এবং সাংবিধানিক অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সমাবেশে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তেজস্বী যাদব, কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয়া সুলেসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে এক মঞ্চে এসেছেন। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে মমতা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষার দায়িত্ব যুবসমাজকেই নিতে হবে। প্রয়োজন হলে অভিভাবক হিসেবে তিনি তাদের পথ দেখাবেন।

জেন-জি প্রজন্মের প্রতিবাদ ও আন্দোলনের প্রশংসা করে তিনি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় সংস্থা ও পুলিশের একাংশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তিনি। তার কথায়, বিজেপির বিদায়ের সময় ঘনিয়ে এসেছে। বক্তব্যের একপর্যায়ে রামপ্রসাদ বিসমিলের বিপ্লবী কবিতার পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানান তৃণমূল নেত্রী।

বিচার বিভাগের কাছেও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আবেদন জানান মমতা। তার বক্তব্য, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় বিচারব্যবস্থাকে সক্রিয় হতে হবে। উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য ভুয়া, মৃত ও একাধিক জায়গায় নিবন্ধিত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া। ভুলবশত নাম বাদ পড়লে পুনরায় নিবন্ধনের সুযোগও রয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ নভেম্বর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit