প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বাঞ্চলীয় খনিগুলো থেকে ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহের প্রধান মাধ্যম এই ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন। তবে ড্রোন হামলার মুখে নিরাপত্তার স্বার্থে পাইপলাইনটির কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয় রিয়াদ। পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঠিক চার দিনের মাথায় বন্দরে জাহাজীকরণ প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়ার খবর এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে তেল রপ্তানির জন্য ইয়ানবু বন্দর ও ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ছিল সৌদির অন্যতম প্রধান ভরসা। এ দু’টি পথ একযোগে অকার্যকর হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং নতুন করে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে।
ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার বা ৭৪৬ মাইল। প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল এ পাইপলাইন দিয়ে পরিবহন করা হয়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলন করা তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হয় পাইপলাইনটি দিয়ে। পরে তেল ট্যাংকারে ভরে সমুদ্রপথে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।