শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা বিশকেকে পুতিন-শি-পেজেশকিয়ান, পশ্চিমের বিরুদ্ধে নতুন বার্তা? ঘুস কেলেঙ্কারিতে ইকুয়েডরের সাবেক প্রেসিডেন্টের ৫ বছরের কারাদণ্ড ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিপৎসীমার কাছাকাছি কাপ্তাই হ্রদের পানি, আজ রাতেই খুলছে ১৬ জলকপাট গাছে বেঁধে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা দীর্ঘ বিরতি শেষে পর্দায় ফিরছেন বাপ্পারাজ সানী রোজিনা ও আমিন খান ‘যুদ্ধবাজ’ ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির জন্য হুমকি: এরদোগান ‘যুদ্ধক্ষেত্রেই দেখা যাবে চমক’, নতুন অস্ত্র প্রস্তুতের দাবি ইরানের অসুস্থ স্বামীর ভালোবাসায় বন্যার সতর্কতায়ও ঘর ছাড়ছেন না নেপালের এক নারী

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যাওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের কী লাভ কী ঝুঁকি?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ Time View

ডেস্ক নিউজ : সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান- মুসলিম বিশ্বের এই তিন দেশ সম্প্রতি যে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে, তাতে বাংলাদেশও যোগ দেবে কিনা তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। একদিকে সামরিক তাৎপর্য, অন্যদিকে জোটের সম্প্রসারণের চেষ্টা দুটি মিলিয়েই এই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশেরও আগ্রহ আছে।

যদিও বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখানো চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পায়নি। যদিও চুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশ ‘ইতিবাচক অবস্থানে’ আছে বলে তিনি জানান। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মক্কা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া কতটা জরুরি? এই প্রশ্ন উঠছে, কারণ মক্কা জোটে যোগ দিলে ভূ-রাজনৈতিক নানা ঝুঁকির কথাও বলছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এই জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের লাভ কী এবং এতে কোনো ঝুঁকি আছে কি-না।

এই জোটের গুরুত্ব কী?

মুসলিম বিশ্বের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ-সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান। সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারকদের একটি এবং একইসঙ্গে বড় অর্থনৈতিক শক্তি। তুরস্ক নেটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর অধিকারী। তাদের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি অত্যন্ত উন্নত মানের এবং দেশটির আধুনিক যুদ্ধবিমান, ড্রোন, মিসাইল সমৃদ্ধ শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে।

আর মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রশক্তির দেশ পাকিস্তান। তিনটি দেশ মিলে যে চুক্তি সই করে তার আনুষ্ঠানিক নাম মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এটা স্বাক্ষরও হয় মুসলিমদের সর্বোচ্চ পবিত্র নগরী মক্কায়। একে এমন একটি জোট হিসেবে দেখা হচ্ছে যেখানে মুসলিম দেশগুলো একত্রিত হচ্ছে। সামরিক জোটের অংশ হিসেবে সামরিক প্রশিক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ব্যয় আর গোয়েন্দা তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে কোন দেশ কতটুকু অবদান রাখবে, তা নিয়ে সব দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

ফলে সামরিক তাৎপর্য থাকায় তিনটি দেশের এই যৌথ প্রতিরক্ষা জোট বৈশ্বিক রাজনীতিতে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা তৈরি করে। অনেকেই এটাকে ‘মুসলিম নেটো’ নামেও ডাকছেন। কারণ, চুক্তি অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঠিক একইরকম ধারা ১৯৪৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরোধীতায় মার্কিন নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নেটোতেও রয়েছে। ফলে মক্কা জোটের সামরিক উদ্দেশ্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর গত ৭ আগস্ট এই চুক্তিতে সই করেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলেছেন?

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মক্কা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, মক্কা প্যাক্টকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে বাংলাদেশ। তবে এ নিয়ে আলোচনা করার সময় এখনো আসেনি।

‘এতে যোগদান করার বিষয়টি এখানো আসেনি। কারণ এটা নির্ভর করছে যারা এই প্যাক্টের সদস্য, তাদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি অভিপ্রায় প্রকাশ করেন বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার জন্য, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই সেটা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করবো।’মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ না পেলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, বাংলাদেশ এতে যোগ দিতে আগ্রহী।

‘মক্কা প্যাক্ট হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটা ব্যবস্থা এবং এটা আমাদের মুসলিম পরিবারের আভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং এটা নিয়ে কারো, অন্যান্যদের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নাই,’ বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একইসঙ্গে তিনি জানান, যেহেতু এই জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হয়নি ফলে এখানে যোগ দিলে কী লাভ হবে সেগুলোও আলোচনা করার সময় এখনো আসেনি।

বাংলাদেশের লাভ কী?

মক্কা প্যাক্ট মূলত প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি। নামেই প্রতিরক্ষা শব্দটি আছে। চুক্তিতেও আলোচনা হচ্ছে মূলত এই জোটের যৌথ সামরিক সক্ষমতা নিয়ে। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে তুরস্ক ও পাকিস্তান।

যৌথ জোটের দেশগুলো সামরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় থেকে শুরু করে অস্ত্র প্রযুক্তি বিনিময় পর্যন্ত যেতে পারে। জোটের তিনটি দেশের তিন ধরনের সক্ষমতা আছে। যেটা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। সৌদি আরবের আছে অঢেল অর্থ, তেল, ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধা এবং রাজনৈতিক শক্তি।

তুরস্কের আছে অত্যাধুনিক সামরিক শিল্প, ড্রোন প্রযুক্তি, মিসাইল, সেন্সর, নৌশক্তি এবং ইলেক্ট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা। আছে উন্নত মানের অস্ত্র প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ। পাকিস্তানের আছে দক্ষ সৈন্য, বিশাল পেশাদার সেনাবাহিনী ও অবকাঠামো, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা এবং পরমাণু অস্ত্র।

এই চুক্তির ফলে সৌদি আরবের জন্য আমেরিকার বাইরে অস্ত্র সংগ্রহের নতুন দ্বার খুলে যাচ্ছে। তারা তুরস্ক ও পাকিস্তান থেকে প্রয়োজনীয় অস্ত্র আমদানি করতে পারবে। অন্যদিকে তুরস্ক ও পাকিস্তানের দরকার অর্থ। তারা অস্ত্র ও প্রযুক্তি বিক্রি করে সেটা পাবে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন বিনিয়োগ করতে পারবে। এই দেশগুলো যদি নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যৌথভাবে কাজ করে তাহলে সেটা দেশগুলোর জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আর এখানেই আসছে বাংলাদেশসহ নতুন দেশগুলো যদি মক্কা জোটে যুক্ত হয়, তাহলে তাদের লাভবান হওয়ার সুযোগ। সেগুলো কী?নিরাপত্তা বিশ্লেষক হাসিব আজিজ বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের প্রাপ্তির অনেক কিছুই আছে। সেটা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে হতে পারে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ হতে পারে, ইন্টেলিজেন্স বা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের সম্পর্ক সৃষ্টি হতে পারে যেটা আসলে বড় বড় সামরিক জোটে এধরনের তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে।’

তিনি ঢাকা ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ওসমানী সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

‘আমরা তুরস্ক থেকে বায়রাক্তার ড্রোন, আরমার্ড ভেহিকেল এরকম অনেক কিছুই আমদানি করি। এই অংশীদারত্বটা আরো বড় হতে পারে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের একটা সুযোগও আসে যে, তুরস্কের মতো একটা দেশের সঙ্গে আমরা জয়েন্ট কোলাবরেশনে গিয়ে কোনোকিছু উন্নত করতে পারি কিনা, বিশেষত মিলিটারি টেকনোলজির ক্ষেত্রে,’ যোগ করেন হাসিব আজিজ। এছাড়া এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের নৌপথের কৌশলগত সাপ্লাই চেইনকেও শক্তিশালী করবে।

হাসিব আজিজ আরও বলেন, ‘আপনি যদি ম্যাপ খেয়াল করেন। বঙ্গোপসাগর, তারপর ভারত মহাসগর এবং এরপরে আরব সাগর। সুতরাং আমরা যখন ভারত মহাসগরকে ক্রস করে যাচ্ছি, তখন যদি আমার ওই অঞ্চলে একটা চুক্তি থাকে, তাহলে সেটা আমাদের প্রবেশাধিকারকে অনেক সহজ করে। আমরা ওখান থেকে এলএনজি আনছি, পেট্রোলিয়াম আসে। সুতরাং সেখানকার কোনো একটা সিগনিফিকেন্ট অ্যাক্টরের সঙ্গে যদি সামরিক সম্পর্ক থাকে, সেটা তো আমার বেনিফিটে কাজ করার কথা। এবং একইসঙ্গে এটা আমার ইকোনমিক লাইফ লাইনকেও সাহায্য করবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অধ্যাপক ড. লাইলুফার ইয়াসমিনও মনে করেন, মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমুদ্রে নৌ-চলাচল এবং নিরাপত্তা একটা বড় উদ্দেশ্য। তাছাড়া সৌদি আরবে বহুসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি আছেন। দেশটি বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের একটি প্রধানতম উৎস। সৌদি আরব বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগীও বটে। ফলে চুক্তিতে থাকলে সেটা বাংলাদেশের শ্রমিক পাঠানো থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সহায়তারও নতুন দ্বার খুলতে পারে।

বাংলাদেশের ঝুঁকি কী?

বাংলাদেশ যদি চুক্তিতে যোগ দেয়, তাহলে ঝুঁকি অনেকগুলোই আছে।

প্রথমটিই হচ্ছে, জোটের একটি নির্দিষ্ট নীতি যেখানে বলা হয়েছে, কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটা জোটের বাকি দেশগুলোর উপরও হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলে বলা হচ্ছে, নেটোর আদলে এমন কোনো জোটে বাংলাদেশ থাকলে সেটা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করবে।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি। মক্কা জোটে পাকিস্তান থাকায় তার প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত শুরু থেকেই এই জোটকে এক ধরনের হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করছে। তাছাড়া ভবিষ্যতে ভারত-পাকিস্তান যেকোনো সংঘাতে মক্কা জোটের ভূমিকা কী হবে এবং বাংলাদেশের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতি তৈরি হবে কিনা সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয় হচ্ছে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের ঝুঁকি এবং দক্ষিণ এশিয়ায় প্রক্সি ফোর্সের সংখ্যা বাড়তে পারে। মক্কা জোটে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ড. লাইলুফার ইয়াসমিন।

‘আমাদের প্রায়োরিটি অনেকগুলো আছে। সেগেুলো মাথায় রেখে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে যে, আমি একটি সামরিক জোটে জয়েন করতে চাই কিনা। একইসঙ্গে আমাকে চিন্তা করতে হবে যে, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের জন্য আমার দক্ষিণ এশিয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি একটি সামরিক জোটে যোগ দেওয়া বেশি প্রয়োজন।’

‘এখানে অবশ্য বিষয়টা এমন না যে, যেকোনো একটি পথ বেছে নিতে হবে। এখানে দুটোই একইসঙ্গে সম্ভব। কিন্তু চুক্তিতে ডিফেন্স কথাটা যেহেতু আছে এবং ডিফেন্স প্যাক্টের মতো করে এটা চিন্তা করা হচ্ছে, সুতরাং এই এলাকায় এর প্রভাবটাও বিবেচনা করতে হবে,’ বলেন অধ্যাপক ইয়াসমিন।

তার মতে, বাংলাদেশ সবসময় সামরিক জোট থেকে দূরে থাকার নীতি অতীতে দেখিয়েছে। ‘বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত কখনই কোনো সামরিক জোটে যোগ দেয়নি। যদি এখন যোগ দিতে চায় তাহলে সেটা হবে প্রথম। সুতরাং কোনো কিছুতে প্রথম হওয়ার আগে জাতীয় পর্যায়ে এটাকে আলোচনা করা দরকার।’

এছাড়া জোটে পাকিস্তান থাকায় এই জোট নিয়ে ভারতের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে। বাংলাদেশের একজন ভূ-রাজনীতির গবেষক ও বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, বাংলাদেশ এই জোটে যখনই যুক্ত হবে, তখন প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হবে। যেটি একদিক বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকির কারণ হিসেবেও দেখছেন তিনি।

‘এটার তাৎক্ষণিক একটি প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। কারণ তখন ভারত ভাব পারে সে অনিরাপদ। তখনই সে ইসরায়েলে শরণাপন্ন হতে পারে। এই ইস্যুতে তখন ভারতকে সহযোগিতায় আগ্রহী হতে পারে ইসরাইল। দক্ষিণ এশিয়ায় তৈরি হতে পারে সামরিক উত্তেজনা।’

‘এ উত্তেজনায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রক্সি ওয়ার এবং প্রক্সি ফোর্সের সংখ্যা বাড়তে পারে। সেদিক থেকে বাংলাদেশ বাড়তি ঝুঁকিতে থাকবে। সেক্ষেত্রে চুক্তিতে ঝুঁকলেও এক ধরনের ঝুঁকি, না ঝুঁকলেও থাকবে আরেক ধরনের ঝুঁকি।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৪:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit