মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হুতিদের সামরিক সহায়তা বন্ধে ইরানের প্রতি জি৭-এর আহ্বান নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে আমল কবুল হবে না ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যে কলিকে হত্যা, রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি সুতা ও কাপড় আমদানিতে আগাম অনুমতির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার বিমানকে তুলি, আকাশকে ক্যানভাস বানালেন পাইলট, আঁকলেন মোনালিসার ছবি টাইফুনের প্রভাবে বিপর্যস্ত জাপান, ১৯ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ রেকর্ড ভাঙা এল নিনো: শীত আসার আগেই প্রশান্ত মহাসাগরে নজিরবিহীন উষ্ণতা হুতিদের অগ্রযাত্রা নিয়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ গাজায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর রোমহর্ষক গল্প

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার খবর ‍উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  : ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাস ধরা চলা যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক উভয় ধরনের অস্ত্রের মজুদ কমে গেছে বলে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অস্ত্রের মজুদ কমে আসায় তেহরানে হামলা চালাতে পারছে না ওয়াশিংটন। তাই উপায় না দেখে একপ্রকার বাধ্য হয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে গণমাধ্যমের এমন দাবি নাকচ করে দিয়েছে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর বিশেষ করে ‘প্যাট্রিয়ট’ এবং ‘থ্যাড’ সিস্টেমে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মজুদ কমে আসায় মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে উপসাগরীর অঞ্চল এবং তার বাইরের মিত্র দেশগুলোর ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে মঙ্গলবার আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমান মজুদ ঘাটতির দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে এবং প্রয়োজনের চেয়েও তা অনেক বেশি। অথচ ‘ক্রুকড জো বাইডেন’ (প্রতারক জো বাইডেন) ও তার প্রশাসন ইউক্রেন ও ইউরোপকে বিনামূল্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র দিয়ে দিয়েছে। যা ছিল তাদের অসংখ্য চরম বোকামিপূর্ণ সিদ্ধান্তের একটি।

তিনি মূলত রাশিয়ার আগ্রাসনের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর হস্তান্তরের বিষয়টিই উল্লেখ করছিলেন। ট্রাম্প অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। যদিও বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন আদৌ সময়মতো বাড়ানো সম্ভব কি না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের কাছেও আরও বেশি অস্ত্র সরবরাহ শুরু করব। অন্যদিকে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেলও জোর দিয়ে বলেছেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো সংকটের মুখে নেই।

আল-জাজিরাকে দেওয়া বিবৃতিতে পার্নেল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী। প্রেসিডেন্টের পছন্দ করা সময় ও স্থানে যেকোনো অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই তাদের রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের জনগণ ও স্বার্থ রক্ষার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে যাতে সক্ষমতার বিশাল ভাণ্ডার থাকে তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন কমব্যাট্যান্ট কমান্ড বা যুদ্ধ-পরিচালনা অঞ্চলের অধীনে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছি।

সরবরাহ ঘাটতির খবর
সোমবার প্রকাশিত বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি হয়তো মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রকাশ্যে বলা কথার চেয়েও বেশি গুরুতর। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে যে পরিমাণ ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ছিল, তার ৮০ শতাংশ এবং ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেকই ব্যবহৃত হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এই মজুত-স্তরের অবস্থাকে ‘বিপজ্জনকভাবে কম’ বলে অভিহিত করেছে।

প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দ্রুতই এই ৮০ শতাংশের পরিসংখ্যান এবং এর ফলে সৃষ্ট ঝুঁকির ব্যাখ্যাকে চ্যালেঞ্জ জানান। তিনি সোমবার এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন,  ‘সত্য নয়’ এবং ‘লজ্জাজনক’। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর ২৭ জুলাই প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওই সময় পর্যন্ত সামরিক বাহিনীর কাছে তাদের ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টরের এক-তৃতীয়াংশের সামান্য বেশি এবং ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টরের প্রায় অর্ধেক অবশিষ্ট ছিল।

সিএসআইএস-এর মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর অর্থ বরাদ্দ সত্ত্বেও সরবরাহ ব্যবস্থা যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অন্তত তিন বছর সময় লাগবে। রয়টার্স এবং সিবিএস নিউজ পৃথক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সামরিক বাহিনী তাদের ‘আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম’ এবং ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল’-এর সিংহভাগই ব্যবহার করে ফেলেছে।

প্যাট্রিয়ট ও থাড ইন্টারসেপ্টরের বিপরীতে, অত্যন্ত নির্ভুল ও দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহৃত হয়। দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, প্রায় ১০ লাখ ডলার মূল্যের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রায় সবগুলোই ব্যবহার করা হয়ে গেছে।

গোলাবারুদের ঘাটতিজনিত কোনো ঝুঁকির কথা ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি। অথচ প্রশাসন তাদের ২০২৭ অর্থবছরের প্রতিরক্ষা বাজেটে ৯৫ বিলিয়ন ডলার এবং মজুত পুনরায় পূর্ণ করার জন্য অতিরিক্ত তহবিলের আবেদনে ২১ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে।

একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বারবার এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস জুলাইয়ের শেষের দিকে জানিয়েছিল, ওই মাসে সংঘাত আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত থেকে ট্রাম্পের সরে আসার পেছনে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ অন্যতম একটি কারণ ছিল। জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) লড়াই থামিয়ে দিয়েছিল, তা ভেস্তে যাওয়ার পরই এই ঘটনা ঘটে। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকে।

অস্ত্রের ঘাটতির প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক উভয় ধরনের অস্ত্রের ঘাটতি মার্কিন বাহিনীকে অরক্ষিত করে তুলতে পারে। মার্কিন মেরিন কোরের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল এবং সিএসআইএস-এর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যানসিয়ানের মতে, আক্রমণাত্মক এটিএসিএমএস এবং পিআরএসএম-এর ঘাটতি সেনাবাহিনীর দূরপাল্লা থেকে আঘাত হানার সক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে বাহিনীকে অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের বা নিকট-পাল্লার আক্রমণের ওপর নির্ভর করতে হয়, যা তাদের ঝুঁকির মুখে ফেলার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

ক্যানসিয়ান বলেন, এটিএসিএমএস এবং পিআরএসএম-এর মজুদ কমে গেলে বা ফুরিয়ে গেলে বিকল্প কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে, যেমন আকাশপথ বা সমুদ্রপথ থেকে হামলা। সেক্ষেত্রে দূরবর্তী কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য সম্ভবত ‘জয়েন্ট এয়ার-টু-সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইল’ বা ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হবে অথবা শত্রুর আকাশসীমার ওপর দিয়ে যুদ্ধবিমান ওড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এটি অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং এক্ষেত্রে শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রথমেই অকার্যকর বা ধ্বংস করে দিতে হয়। তবে ​​ক্যানসিয়ানের মতে, বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি পরিস্থিতি ‘অনেক বেশি গুরুতর’।

ক্যানসিয়ান বলেন, আমরা যখন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা বলি, তখন দেখা যায় আমাদের হাতে খুব বেশি ইন্টারসেপ্টর অবশিষ্ট নেই এবং এগুলোর কোনো ভালো বিকল্পও নেই। যদি আমাদের ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ফুরিয়ে যায়, তবে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আমাদের প্রতিরক্ষা ভেদ করে ভেতরে ঢুকে পড়বে।

জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ১৭ জুলাইয়ের একটি হামলার ঘটনায় এই উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে। ওই হামলায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মার্কিন ও জর্ডানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েছিল এবং এতে তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হন।

অবশ্য পাঁচ মাস যুদ্ধের পরও ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে চিত্রটি অস্পষ্ট। তবে ক্যানসিয়ানের মূল্যায়ন অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদে তেহরানের পক্ষে মার্কিন ইন্টারসেপ্টরগুলোর মজুদ পুরোপুরি নিঃশেষ করে ফেলা সম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা কম। এরপরও মার্কিন মজুদের বর্তমান অবস্থায় ইরানি হামলা প্রতিহত করতে প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে চীন-এর মতো সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।

ক্যানসিয়ান বলেন, প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অর্থ হলো চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র কমে যাওয়া। আমরা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি যেখানে ‘জয়েন্ট স্টাফ’ বা যৌথ সামরিক নেতৃত্ব এ বিষয়ে সত্যিই খুব উদ্বিগ্ন।

এদিকে এনবিসি নিউজসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, যেসব ইরানি হামলায় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম, সেগুলো প্রতিহত করার ক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যে আরও সতর্ক ও বিচার-বিবেচনামূলক কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কৌশল ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রক্ষায় সহায়তা করতে পারে, তবে এর ফলে ভুল হিসাব-নিকাশ বা ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে।

সমস্যাটা হলো সময়

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত খবরে মিত্রদেশগুলোর মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেশগুলোর কাছে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং কিছুটা কম পরিমাণে ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর বিক্রি করে থাকে।গত মে মাসে ট্রাম্প প্রশাসন কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের কাছে অতিরিক্ত ২৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ও সংশ্লিষ্ট সেবা বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিল। এছাড়া সৌদি আরব, জর্ডান ও ইসরায়েলের কাছেও দীর্ঘদিন ধরে এসব অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে দেশটি।

ইউরোপ ও এশিয়ার মিত্রদেশগুলোর কাছে আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহে ইতোমধ্যে বিলম্বের খবর পাওয়া গেছে; তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের ক্ষেত্রে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহে এখনো কোনো বিলম্বের কথা জানা যায়নি। এমন প্রেক্ষাপটে ক্যানসিয়ান বলেন, এই পরিস্থিতি প্রায় নিশ্চিতভাবেই বদলে যাবে এবং নিজেদের মজুত ভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি সংখ্যক ইন্টারসেপ্টর নিজেদের কাছে রেখে দেওয়ার চেষ্টা করবে।

এদিকে রুশ হামলা প্রতিরোধের জন্য প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের সরবরাহ কমে যাওয়া নিয়ে সতর্ক করে আসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বারবারই ইউক্রেনে এসব অস্ত্র উৎপাদনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছেন। এমন অনুমতি বর্তমানে কেবল জাপান ও জার্মানিরই রয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার(৫ আগস্ট) জেলেনস্কি জানান, মিত্রদেশগুলো কিয়েভকে বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর অনেক কম সরবরাহ করেছে; গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সরবরাহের পরিমাণ মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। ক্যানসিয়ানের মতে, প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টরের স্বল্পমেয়াদী ঘাটতি দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, অর্থ কোনো সমস্যা হবে না, আসল সমস্যা হলো সময়।

সূত্র: আলজাজিরা।

কিউএনবি/অনিমা/০৬ অগাস্ট ২০২৬,/সকাল ৯:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit