আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের আসামে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) এক সদস্যের গুলিতে দুই সহকর্মী নিহত হয়েছেন। পরে ওই জওয়ান নিজেও গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় আরও এক সিআরপিএফ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে আসামের নগাঁও জেলার কাটিমারি এলাকায় সিআরপিএফের ৩৪ ব্যাটালিয়নের ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও কর্মকর্তারা জানান, ক্যাম্পের প্রধান ফটকে দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) বল্লানি প্রেমাবরম। সকাল ৭টার দিকে তিনি সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এ ঘটনায় বিষ্ণু প্রসাদ বাঘেল ও রামনওয়াল সিং যাদব নামে দুই সিআরপিএফ সদস্য নিহত হন।
নগাঁওয়ের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি) পার্থ প্রতিম দাসের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানায়, দায়িত্ব পালনের সময় প্রেমাবরমের কাছে তার সার্ভিস রাইফেল ছিল না। তিনি গার্ডরুম থেকে একটি ইনসাস রাইফেল নিয়ে ক্যাম্পের কোয়ার্টার গার্ডের পেছনের দিকে যান।
সেখানে তিনি বিষ্ণু প্রসাদ বাঘেলকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য সেখানে আসা রামনওয়াল সিং যাদবকে গুলি করলে তিনিও ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এরপর প্রেমাবরম এএসআই মানে গোবিন্দ শ্রীপুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পুলিশ জানায়, সহকর্মীদের ওপর গুলি চালানোর পর প্রেমাবরম একটি ব্যারাকে ঢুকে নিজের ওপর গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন।
ঘটনার খবর পেয়ে সিআরপিএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কী কারণে ওই জওয়ান সহকর্মীদের ওপর গুলি চালিয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।
কিউএনবি/অনিমা/০৫ অগাস্ট ২০২৬,/সকাল ৭:৩২