বিনোদন ডেস্ক : ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক দাতব্য তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যে গেছেন পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের শীর্ষ তারকা মাহিরা খান। ‘লাক্স ইভেন্টস ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ব্রিটিশ-পাকিস্তানি কমিউনিটির ভক্তদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে অংশ নেন।
অনুষ্ঠান চলাকালীন এক প্রশ্নের জবাবে মাহিরা খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়— সজল আলি, হানিয়া আমির ও ইকরা আজিজের মধ্যে কার সঙ্গে তিনি পরবর্তীতে কাজ করতে চান? প্রশ্নের উত্তরে মাহিরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, এই তিন সহশিল্পীর সঙ্গেই তার সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে, তবে তারা কেউই তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নন।
মাহিরা বলেন, ‘তাদের সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু তাদের কারোর সঙ্গেই আমার গভীর বন্ধুত্ব নেই।’ ব্যস্ত সূচির কারণে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ বা আড্ডা দেওয়া সম্ভব হয় না বলেই তাদের মধ্যে দূরত্ব থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি। শিল্পীদের মধ্যে কোনো ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা তিক্ততা রয়েছে কিনা— এমন সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন মাহিরা।
কথোপকথনের একপর্যায়ে অভিনেত্রী সজল আলির ভূয়সী প্রশংসা করেন মাহিরা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ও সজল যদি কোনো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন, তবে তা পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাহিরায় এমন স্পষ্টবাদী বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তরা তার এই সততার প্রশংসা করেন। অনেকেই ভবিষ্যতে পর্দায় সজল ও মাহিরার রসায়ন দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
মাহিরা খানকে সর্বশেষ ‘লাভ গুরু’, ‘নিলুফার’ এবং ‘আগ লাগে বস্তি মে’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। এ ছাড়া ‘রাজিয়া’, ‘হাম কাহাঁ কে সাচে থে’, ‘এক হ্যায় নিগার’, ‘সদকে তুমহারে’, ‘বিন রায়’ ও ‘কায়েদ-ই-আজম জিন্দাবাদ’-এর মতো জনপ্রিয় ড্রামা ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। খুব শিগগিরই তাকে ওয়াহাজ আলির বিপরীতে নতুন ধারাবাহিক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’-তে দেখতে পাবেন দর্শকরা।
সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি
কিউএনবি/আয়শা/২৮ জুলাই ২০২৬,/রাত ৯:৩৩