ডেস্ক নিউজ : ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ দুইটি ভোট দিয়েছে। ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের মাধ্যমে মানুষ জুলাই সনদকে স্বীকৃতি দিয়েছে; কিন্তু বিএনপি সরকার গঠন করেই জুলাই সনদকে অস্বীকার করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা, জাতির সঙ্গে গাদ্দারি ও বেইমানি করছে। অনতিবিলম্বে সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারকে যেভাবে মানুষ বিদায় করেছে সেভাবেই তারা এ সরকারেরও পতন ঘটাবে’।
পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কার কী ভূমিকা ছিল তা দেশের জনগণ জানেন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কেউ লন্ডন থেকে, কেউ শিলং থেকে এসে নেতৃত্ব দাবি করছেন। যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে না পারেন তবে জুলাই আন্দোলনে আপনাদের নেতৃত্বের দাবি থেকে সরে আসুন। জাতীয়তাবাদের নামে ব্যবসা ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার নিজ এলাকা থেকেই মাদক নির্মূল করতে পারছেন না। তিনি কিভাবে দেশ থেকে মাদক নির্মূল করবেন? কিভাবে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করবেন? শহীদ হাদি, কালীগঞ্জের ওমর ফারুক হত্যাসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সব শহীদের হত্যার বিচার করতে হবে।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, ঢাকা বিভাগীয় আহ্বায়ক সাইফুল্লাহ হায়দার, গাজীপুর জেলা এনসিপির সদস্য সচিব খন্দকার আল আমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব ওয়াদুদ খন্দকার, গাজীপুর জেলা এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ওয়াদুদ খন্দকার, প্রভাষক আফরিনা আক্তার, গাজীপুর জেলা শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক মাহিব হোসেন রুদ্র, জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা রিদওয়ান শেখসহ উপজেলা ও পৌরসভার এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ জুলাই ২০২৬,/রাত ২:০৪