শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নেপালে শোভাযাত্রা থেকে যে কারণে ছড়িয়ে পড়ল ভয়াবহ দাঙ্গা মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনে ৬০ হাজার অভিবাসী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা হঠাৎ কেন সাঁতরে সমুদ্র পেরিয়ে স্পেনে যাচ্ছে মানুষ রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সুগার মিল সারা বছর উৎপাদনশীল করার চিন্তা সরকারের : রিজভী বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব ইস্যুতে পদত্যাগ করলেন ইনফান্তিনোর উপদেষ্টা বেলুচিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৩২ মরক্কো থেকে স্পেনে হাজারো অভিবাসীর অনুপ্রবেশ, ৯ জনের মৃত্যু মরক্কো দিয়ে নজিরবিহীন অনুপ্রবেশ, সীমান্তে সেনা পাঠাচ্ছে স্পেন

কোথায় এবং কেন জব্দ হয়ে আছে ইরানের বিপুল সম্পদ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুদ্ধবিরতির উদ্দেশে ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফার গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত তাদের জব্দ হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে দেয়া। আসন্ন দ্বিতীয় ধাপের ওয়াশিংটন-তেহরান বৈঠককে ঘিরে আবারও আলোচনায় এই এসেছে এই ইস্যু।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ আটকে আছে। এই সম্পদ ছাড় হলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের মোট সম্পদের মধ্যে রয়েছে তেল ও গ্যাস বিক্রি থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ, বিদেশি ব্যাংকে জমা আমানত এবং বিভিন্ন আর্থিক বিনিয়োগ।
এসব অর্থ বর্তমানে চীন, ভারত, ইরাক, কাতার, জাপান এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আটকে আছে। জানা যায়, চীনে অন্তত ২০ বিলিয়ন ডলার, ভারতে প্রায় ৭ বিলিয়ন, ইরাকে ৬ বিলিয়ন, কাতারে ৬ বিলিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি ইরানের প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার জব্দ রয়েছে। এই সম্পদ জব্দের সূচনা ঘটে ১৯৭৯ সালে। তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি সংকটের জেরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবার ইরানের সম্পদ জব্দ করে।
 
পরবর্তীতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা একাধিক দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জব্দ করা সম্পদ মূলত আন্তর্জাতিক ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকে। নিষেধাজ্ঞা, আদালতের নির্দেশ বা নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে ইরান এই অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর বা বিনিয়োগ করতে পারে না।
 
অর্থাৎ, নিজস্ব তেল বিক্রির আয় থাকলেও তা ব্যবহার করার ক্ষমতা সীমিত তেহরানের। সমালোচকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের একটি কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং বিনিয়োগ সংকট তৈরি হয়েছে।
এই অর্থ ফেরত এলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে, রিয়ালের মান স্থিতিশীল হতে পারে এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে। পাশাপাশি তেল খাত, বিদ্যুৎ, পানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ সম্ভব হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন, শিল্পখাতের আধুনিকায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারেও এই সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৭ এপ্রিল ২০২৬,/দুপুর ১:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit