রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ক্লাব নঁতে কিনতে পারেন বেকহ্যাম ১৯৭১ ইস্যুতে পাক সেনাবাহিনীকে খোঁচা দিয়ে যা বললেন দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হাজার গোলের আরও কাছে রোনালদো, চার ম্যাচে চার জয় আল নাসরের বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে সরকার মার্কিন ডলার বর্জনের ডাক দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সাফার জন্মদিনে তৌসিফের আবেগঘন শুভেচ্ছা, নজর কাড়ল নেটিজেনদের ইমরান খানের মুক্তির দাবি করে মিয়াঁদাদ কেঁদে বললেন, তিনি সৎ মানুষ হু হু করে বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি,ডুবেছে ঝুলন্ত সেতু; পানিবন্দি নিন্মাঞ্চলের বাসিন্দারা সারা দেশে শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান

‘তেলভিত্তিক কেন্দ্র ছাড়া বিদ্যুৎ সামাল দেওয়া কঠিন হবে’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৯ Time View

ডেস্ক নিউজ :দেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মজুত জ্বালানি দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ)। 

সংগঠনটি বলেছে, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। এসব কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড হাসনাত ও সাবেক সভাপতি ইমরান করিম। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইমরান করিম বলেন, প্রায় সাত দিন আগে পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুত ছিল। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রায় ৫৫ হাজার টন তেল রয়েছে। বাকি তেল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ছড়িয়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকায় জ্বালানি মজুতও সমানভাবে বিতরণ নেই। ফলে কোথাও হয়তো এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত তেল থাকবে, আবার কোথাও এপ্রিলের শুরুতেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ইমরান করিম জানান, গড়ে হিসাব করলে বর্তমানে যে পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৭ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত উৎপাদন চালাতে পারবে। তবে মজুতের অসম বণ্টনের কারণে কিছু এলাকায় এর আগেই সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৪৫ থেকে ৪৯ শতাংশই বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসে। এসব কেন্দ্র চালু রাখতে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ ও সময়মতো বিল পরিশোধ নিশ্চিত করা জরুরি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিল পরিশোধে বিলম্বের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। 

ইমরান করিম বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৯ মাস পরে বিল পরিশোধ করা হচ্ছে, যা জ্বালানি আমদানি ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। ইতিমধ্যে আমাদের বকেয়ার পরিমাণ ১৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। সময়মতো বিল না পেলে চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার সুযোগ থাকলেও দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদকরা তা করছেন না বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। 

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ধরে রাখতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত অবস্থান নির্ধারণ জরুরি।

কিউএনবি/অনিমা/০৯ মার্চ ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit