সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

লাল পাসপোর্ট ছেড়ে দিয়েছেন ফারুকীসহ একাধিক উপদেষ্টা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩২ Time View

ডেস্ক নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন কড়া নাড়ছে দরজায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও শেষ হয়ে আসছে সঙ্গে সঙ্গে। ঠিক এই সময় এসে সরকারের একাধিক উপদেষ্টা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছেড়ে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করেছেন, অনেকে তা হাতে পেয়েও গেছেন বলে জানা গেছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানাচ্ছে চলতি বছরের শুরুতেই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একাধিক সদস্য তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করেন। ইতোমধ্যে একাধিক উপদেষ্টা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ পাসপোর্টও হাতে পেয়েছেন। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার সাধারণ পাসপোর্ট আবেদন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও তাদের নামে ইস্যুকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিলের অভিপ্রায় জানিয়েছেন। এদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জে. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা অন্যতম। এর বাইরে আরও অনেকের আবেদন থাকতে পারে। তবে বাকিদের বিষয়ে জানা সম্ভব হয়নি।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে প্রথম আদিলুর রহমান খান ২৫ জানুয়ারি কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণের অভিপ্রায় জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেন। একই দিন তিনি আবেদন জমা দেন সচিবালয়ের অভ্যন্তরে অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এরপর ২৫ জানুয়ারি আদিলুর রহমান তার নামে ইস্যুকৃত নতুন পাসপোর্ট হাতে পান। তবে আদিলুর রহমানের স্ত্রী সায়রা রহমান খান যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টধারী হওয়ায় বাংলাদেশি কূটনৈতিক পাসপোর্ট নেননি।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর বলছে, লাল রঙয়ের বিশেষ কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদানের বিষয়টি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। এক্ষেত্রে কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইস্যুর আগে পররাষ্ট্র থেকে সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। পরে সেখানকার নির্দেশনার ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রদানের ব্যবস্থা নেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। একই ভাবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল বা সমর্পণের বিষয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও সচিবদের হাতে থাকা লাল পাসপোর্ট রূপান্তরে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এ সংক্রান্ত আবেদন যাচাইয়ে কড়া পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।
তবে স্পষ্টীকরণের নামে ২১ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের সংশোধনীতে বলা হয়-‘(ক) বিগত সরকারের (আওয়ামী লীগ সরকার) সময়ে যে সকল ব্যক্তিবর্গ কোন পদে অধিষ্ঠিত থাকার কারণে তারা এবং (খ) তাদের স্পাউসগণ কূটনৈতিক পাসপোর্ট গ্রহণ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট জারিকৃত পত্রটি প্রযোজ্য হবে। এবং অন্যান্যদের ক্ষেত্রে পূর্বের ন্যায় কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণপূর্বক বিদ্যমান বিধিবিধানের আলোকে সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করা যেতে পারে।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit