রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

দুধের সঙ্গে কোন খাবার শরীরের ক্ষতি করে?

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৪ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দুধকে বলা হয় একটি পরিপূর্ণ সুষম খাদ্য। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও নানা ধরনের ভিটামিন, যা শরীর গঠন ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দুধ পান করলে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হয়, পাশাপাশি শক্তিও পাওয়া যায়। তবে এই উপকারী পানীয়টি যদি ভুল খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, তাহলে উপকারের বদলে শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আয়ুর্বেদ ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দুধের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু খাবার একসঙ্গে খাওয়া হজমের জন্য অনুপযুক্ত। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব খাবারের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে হজমজনিত সমস্যা, ত্বকের নানা রোগ এমনকি দীর্ঘমেয়াদে শরীরে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টক-জাতীয় ফলের সঙ্গে দুধ পান করা একেবারেই উচিত নয়। কমলালেবু, লেবু, আনারস কিংবা আঙুরের মতো ফলে থাকা অ্যাসিড দুধকে শরীরের ভেতরে দইয়ের মতো জমাট বাঁধিয়ে ফেলে। এর ফলে পেটব্যথা, গ্যাস এবং বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর দুধ পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মাছ ও মাংসের সঙ্গেও দুধ খাওয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। মাছ ও মাংসে যেমন উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে, তেমনি দুধেও প্রোটিনের পরিমাণ কম নয়। একসঙ্গে দুই ধরনের প্রোটিন গ্রহণ করলে হজম প্রক্রিয়ায় বাড়তি চাপ পড়ে। আয়ুর্বেদ মতে, এই ধরনের খাদ্যসংযোজনে ত্বকে সাদা ছোপ বা লিউকোডার্মার মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অনেকে দুধের সঙ্গে বিস্কুট, চিপস বা পরোটার মতো লবণাক্ত খাবার খেতে অভ্যস্ত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাসও শরীরের জন্য ভালো নয়। দুধের প্রোটিন লবণের সংস্পর্শে এলে হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং দীর্ঘদিন এভাবে খেলে শরীরে পানি জমার প্রবণতা বাড়তে পারে।
কলা ও দুধের সংমিশ্রণ নিয়েও রয়েছে সতর্কতা। যদিও এই মিশ্রণ দিয়ে তৈরি মিল্কশেক শরীরচর্চাকারীদের কাছে জনপ্রিয়, আয়ুর্বেদ অনুযায়ী কলা ও দুধ একসঙ্গে খেলে শরীরে ভারী ভাব তৈরি হয় এবং সাইনাসের সমস্যা বাড়তে পারে। তবে কেউ যদি এই মিশ্রণ খেতেই চান, তাহলে সামান্য এলাচ বা দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
তরমুজ ও শসার ক্ষেত্রেও দুধ পান করা ঠিক নয়। তরমুজ দ্রুত হজম হলেও দুধ হজম হতে সময় লাগে। এই দুইয়ের হজমগত পার্থক্যের কারণে একসঙ্গে গ্রহণ করলে বমি বা বিষক্রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই কারণে শসা খাওয়ার পরও দুধ পান না করাই ভালো।
সব মিলিয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, দুধ অত্যন্ত উপকারী হলেও কখন, কীভাবে এবং কোন খাবারের সঙ্গে পান করা হচ্ছে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়ম মেনে দুধ পান করলেই কেবল এর পূর্ণ উপকার পাওয়া সম্ভব।দুধকে বলা হয় একটি পরিপূর্ণ সুষম খাদ্য। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও নানা ধরনের ভিটামিন, যা শরীর গঠন ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত দুধ পান করলে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হয়, পাশাপাশি শক্তিও পাওয়া যায়। তবে এই উপকারী পানীয়টি যদি ভুল খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, তাহলে উপকারের বদলে শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
আয়ুর্বেদ ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দুধের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু খাবার একসঙ্গে খাওয়া হজমের জন্য অনুপযুক্ত। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব খাবারের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে হজমজনিত সমস্যা, ত্বকের নানা রোগ এমনকি দীর্ঘমেয়াদে শরীরে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টক-জাতীয় ফলের সঙ্গে দুধ পান করা একেবারেই উচিত নয়। কমলালেবু, লেবু, আনারস কিংবা আঙুরের মতো ফলে থাকা অ্যাসিড দুধকে শরীরের ভেতরে দইয়ের মতো জমাট বাঁধিয়ে ফেলে। এর ফলে পেটব্যথা, গ্যাস এবং বুকজ্বালার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর দুধ পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মাছ ও মাংসের সঙ্গেও দুধ খাওয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। মাছ ও মাংসে যেমন উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে, তেমনি দুধেও প্রোটিনের পরিমাণ কম নয়। একসঙ্গে দুই ধরনের প্রোটিন গ্রহণ করলে হজম প্রক্রিয়ায় বাড়তি চাপ পড়ে। আয়ুর্বেদ মতে, এই ধরনের খাদ্যসংযোজনে ত্বকে সাদা ছোপ বা লিউকোডার্মার মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অনেকে দুধের সঙ্গে বিস্কুট, চিপস বা পরোটার মতো লবণাক্ত খাবার খেতে অভ্যস্ত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাসও শরীরের জন্য ভালো নয়। দুধের প্রোটিন লবণের সংস্পর্শে এলে হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং দীর্ঘদিন এভাবে খেলে শরীরে পানি জমার প্রবণতা বাড়তে পারে।
কলা ও দুধের সংমিশ্রণ নিয়েও রয়েছে সতর্কতা। যদিও এই মিশ্রণ দিয়ে তৈরি মিল্কশেক শরীরচর্চাকারীদের কাছে জনপ্রিয়, আয়ুর্বেদ অনুযায়ী কলা ও দুধ একসঙ্গে খেলে শরীরে ভারী ভাব তৈরি হয় এবং সাইনাসের সমস্যা বাড়তে পারে। তবে কেউ যদি এই মিশ্রণ খেতেই চান, তাহলে সামান্য এলাচ বা দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
তরমুজ ও শসার ক্ষেত্রেও দুধ পান করা ঠিক নয়। তরমুজ দ্রুত হজম হলেও দুধ হজম হতে সময় লাগে। এই দুইয়ের হজমগত পার্থক্যের কারণে একসঙ্গে গ্রহণ করলে বমি বা বিষক্রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই কারণে শসা খাওয়ার পরও দুধ পান না করাই ভালো।
সব মিলিয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, দুধ অত্যন্ত উপকারী হলেও কখন, কীভাবে এবং কোন খাবারের সঙ্গে পান করা হচ্ছে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়ম মেনে দুধ পান করলেই কেবল এর পূর্ণ উপকার পাওয়া সম্ভব।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit