মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন

মুছাব্বিরকে হত্যার কারণ জানাল ডিবি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর তেজতুরী বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যার নেপথ্যের কারণ খুঁজে পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান। 

তিনি জানান, আধিপত্য বিস্তার ও দখল বাণিজ্যের কারণে মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপ। তিনি বলেন, ‘কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে জড়িত আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। চাঁদার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে দিলীপ ওরফে বিনাশের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।’ 
এসব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে ডিবি কাজ করছে এবং শিগগিরই অভিযান শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি। ডিবি প্রধান বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুছাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন তার স্ত্রী তেজগাঁও থানায় চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘এই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মনোহরদী থানা এলাকার শাহজাহান খলিফার ভাড়া বাড়ি থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলিসহ হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী অন্যতম শ্যুটার মো. রহিমকে গ্রেফতার করা হয়। এই বিষয়ে মাধবদী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।’ 
ব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, ‘কারওয়ান বাজার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কাঁচাবাজারের বড় জায়গা। সেখানের দখল বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।’ দলীয় লোকজনের সঙ্গে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন নামে ৮-৯টি গ্রুপ চাঁদা তোলে। এই সিন্ডিকেটটি আমরা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অচিরেই এটা নিয়ে অপারেশন করব।’ 
এর আগে, ১১ জানুয়ারি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জিন্নাত (২৪), আবদুল কাদির (২৮), মো. রিয়াজ (৩১) ও মো. বিলালকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার নরসিংদী থেকে আরেকজন কথিত শুটার রহিমকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হলো। 

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৫:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit