মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে আমল কবুল হবে না ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্ষণের ১৫ মিনিটের মধ্যে কলিকে হত্যা, রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি সুতা ও কাপড় আমদানিতে আগাম অনুমতির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার বিমানকে তুলি, আকাশকে ক্যানভাস বানালেন পাইলট, আঁকলেন মোনালিসার ছবি টাইফুনের প্রভাবে বিপর্যস্ত জাপান, ১৯ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ রেকর্ড ভাঙা এল নিনো: শীত আসার আগেই প্রশান্ত মহাসাগরে নজিরবিহীন উষ্ণতা হুতিদের অগ্রযাত্রা নিয়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ গাজায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর রোমহর্ষক গল্প পাসপোর্ট অধিদফতরের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন

জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০২৫ সালে চীনের জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, যা দেশটির জনসংখ্যাকে টানা চতুর্থ বছরের মতো হ্রাসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর সোমবারের (১৯ জানুয়ারি) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১,০০০ জনে জন্মহার কমে ৫.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৩ সালের রেকর্ড ৬.৩৯ শতাংশের চেয়েও কম। 

যদিও ২০২৪ সালে জন্মহারে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল, তবে বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করছে যে সেটি দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমাধান ছিল না। গত বছর দেশটিতে মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মগ্রহণ করলেও মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১১.৩১ মিলিয়ন, যার ফলে চীনের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩.৩৯ মিলিয়ন কমে এখন ১.৪ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। 

জনসংখ্যার এই নেতিবাচক পরিবর্তন দেশটির শ্রমশক্তি কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়িয়ে তুলছে, যা ভবিষ্যতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জনসংখ্যাতাত্ত্বিক এই সংকটের বিপরীতে চীনের অর্থনীতি ২০২৫ সালে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মূলত রপ্তানির ব্যাপক উল্লম্ফন এবং অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ দুর্বল ভোগব্যয় সত্ত্বেও এই সাফল্য এসেছে। 

গত বছর চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রেকর্ড ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যদিও বছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমে ৪.৫ শতাংশে নেমে আসে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রধান কাং ই এই ফলাফলকে ‘উল্লেখযোগ্য স্থিতিশীলতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং জানিয়েছেন যে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও চিন উচ্চ-মানের উন্নয়ন বজায় রেখেছে।

চীন সরকার জন্মহার বাড়াতে শিশু ভাতা, আবাসন সহায়তায় কর ছাড় এবং বিনামূল্যে প্রাক-স্কুল শিক্ষার মতো নানা পদক্ষেপ নিলেও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সন্তান নেওয়ার আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা এবং সন্তান লালন-পালনের বাড়তি চাপের কারণে অনেকেই পরিবার গঠনে অনীহা প্রকাশ করছেন। 

অন্যদিকে আবাসন খাতের মন্দা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে গ্রাহকদের খরচ করার প্রবণতা কমে যাওয়া চীনের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক টেকসইতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এই অবস্থায় অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, চীনকে রপ্তানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং ভোগব্যয় বাড়ানোর দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

 

 

 

কিউএনবি/মহন/১৯ জানুয়ারি ২০২৬,/সকাল ১১:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit