সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

২০০৮ সাল থেকেই নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু : শফিকুল আলম

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮২ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশে নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, ‘ওই সময় জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে এবং ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন প্রভাবশালী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার আমিন ও ব্রিগেডিয়ার বারির সহযোগিতায় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি করা হয়। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে ভূমিধস বিজয় পাইয়ে দেওয়া হয়।’
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে অন্তত ১ হাজার ১০০টি ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়, যা বাস্তবে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
এতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, মৃত ভোটারদের নামেও ভোট পড়েছে।’তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে ঘোষিত ৮৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিতিও ছিল ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব’ এবং ‘প্রশ্নবিদ্ধ’। প্রেসসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের একতরফা ও জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন দেশের দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে কার্যত ধ্বংস করে দেয়।
তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালুর পর রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে সামান্য ভারসাম্য তৈরি হয়েছিল, ২০০৮ সালের নির্বাচন সেটি পুরোপুরি ভেঙে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, যা বিরোধী দলের জন্য গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় ফেরার পথ বন্ধ করে দেয়।’
শফিকুল আলম আরো বলেন, ‘এরপর ধারাবাহিকভাবে একের পর এক প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই আওয়ামী লীগ ১৫৩টি সংসদীয় আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম উপলক্ষ্যে ২০২৬ সালের স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এ উপলক্ষ্যে ২৪ সেপ্টেম্বর ছুটি নির্ধারণ করা হলেও তা একদিন এগিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের গত ২০ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত ছুটির তালিকায় পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকায় ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম উপলক্ষ্যে ২৪ সেপ্টেম্বর ছুটি উল্লে­খ করা হয়েছিল। তবে ধর্মীয় এ দিবসের তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করা হয়। আরও দেখুন চ্যানেল প্যাক সাবস্ক্রাইব লাইভ টিভি স্ট্রিমিং ডিজিটাল ম্যাপ দেখুন এদিকে ছুটির কারণে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর তারিখও একদিন পিছিয়েছে। আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ শুরুর কথা থাকলেও এখন তা শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাশ শুরুর তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল। কিন্তু পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম উপলক্ষ্যে ওই দিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক দিনের ছুটি থাকায় ক্লাশ শুরুর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নতুন তারিখ অনুযায়ী ক্লাশে অংশ নেওয়ার জন্য অবহিত করা হয়েছে।

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit