স্পোর্টস ডেস্ক : নিজের কলামে গাভাস্কার বলেন, এই পুরস্কারের জোয়ারের পেছনে আছে অন্য গল্প। তিনি তার কলামে লেখেন, ‘মেয়েরা, শুধু একটা কথা মনে রেখো—সব প্রতিশ্রুতি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে না। ভারতীয় সমাজে অনেকে কাঁধে চড়ে নিজেদের প্রচার করবে। তারা তোমাদের সাফল্যকে ব্যবহার করছে নিজের ব্র্যান্ড বা নিজের নাম ছড়াতে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘পুরো পাতা জুড়ে বিজ্ঞাপন আর ব্যানারে এখন অভিনন্দনের বন্যা। কিন্তু এদের মধ্যে বেশিরভাগই দল বা খেলোয়াড়দের আসল স্পনসর নয়। তারা শুধু নিজেদের নাম বাড়াতে চায়, অথচ মেয়েদের জন্য আসলে কিছুই করছে না।’
নিজের অভিজ্ঞতার কথাও টেনে আনেন ক্রিকেট কিংবদন্তি। জানান, ১৯৮৩ সালে যখন ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল, তখনও নাকি একই ঘটনা ঘটেছিল। গাভাস্কারের ভাষায়, ‘আমাদের তখন অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রায় কিছুই পূরণ হয়নি। মিডিয়াও তখন এসব বড় বড় ঘোষণাকে কভার করেছিল, কিন্তু ওরাও বুঝতে পারেনি যে, আসলে তারাও ব্যবহৃত হচ্ছে—এই নির্লজ্জদের হাতে!’
এরপর ভারতের নারী ক্রিকেটারদের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিয়ে গাভাস্কার লিখেছেন, ‘যদি কোনো প্রতিশ্রুতি শেষ পর্যন্ত না আসে, হতাশ হবে না। কারণ, এই সমস্ত নির্লজ্জেরা নিজেদের প্রচারের জন্য তোমাদের জয় ব্যবহার করছে।’
কিউএনবি/আয়শা/১০ নভেম্বর ২০২৫,/রাত ১০:০৫