ডেস্ক নিউজ : মৃৎশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর। এখানকার কুমাররা অন্যান্য তৈজসপত্রের সঙ্গে তৈরি করেন মাটির ভাঁড়। শীতকালকে সামনে রেখে ভাঁড় তৈরির ব্যস্ততা বাড়ে মৃৎশিল্পীদের।
জেলায় খেজুর গাছ রয়েছে আড়াই লাখের অধিক। মূলত এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহ এবং তৈরি করা গুড়ঁ সংরক্ষণের জন্যই প্রয়োজন হয় প্রায় ৮০ হাজার ভাঁড়। এছাড়া জেলার বাইরেও সরবরাহ করা হয় এসব ভাঁড়। আকার ও ধরনভেদে প্রতিটি বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩৫ টাকায়।
তবে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক সময় শতশত থাকলেও এখন টিকে আছে মাত্র ২১টি কুমার পরিবার। মৃৎশিল্পীরা বলছেন, মাটি এনে ভিজিয়ে কাদা করে মেশিন দিয়ে ভাড় বানাই। তবে আশানুরূপ দাম না মিললেও পেটের দায়ে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
মাটির কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও প্লাস্টিকের পণ্যের সহজলভ্যতাসহ নানা কারণে অনেকটাই বিলুপ্তির পথে মৃৎশিল্প। এরই মধ্যে কুমারদের একটি বড় অংশ পরিবর্তন করেছেন পেশা। ঐতিহ্যবাহী শিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সরকারি সহায়তা।
চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমীন বলেন, মৃৎশিল্পীদের স্বল্পসুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিল্পকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।
কিউএনবি/খোরশেদ/০৬ নভেম্বর ২০২৫,/সকাল ১১:৪৪