বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেছেন, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে সারা দেশে ৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে।

আজ রবিবার মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, বাজারে টাইফয়েডের কিছু টিকা রয়েছে। এই টিকা অনেক উন্নতমানের এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ১০ দিন ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের স্কুল কলেজে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। পরবর্তী সময়ে পয়লা নভেম্বর থেকে পরবর্তী ১০ দিন ইউনিয়ন পর্যায়ে সেন্টারগুলো থেকে টিকা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, গত ১ আগস্ট থেকে সারা দেশে স্কুল কলেজগুলোতে এ বিষয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। www.vexepi.gov.bd এই ওয়েবসাইটে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য দিয়ে শিশুদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যেসব শিশুর এই রেজিস্ট্রেশন থাকবে তাদের ১২ অক্টোবর থেকে যেকোনো সেন্টারে গিয়ে টিকা দেওয়ানো যাবে। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সেন্টারগুলোতে শিশুরা টিকা দিতে পারবে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা আছে।

মহাপরিচালক বলেন, টাইফয়েড একটি সংক্রামক রোগ। খাওয়ার আগে এবং মলমূত্রত্যাগের পরে ভালোভাবে হাত ধুলে এই রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। তবে অন্যান্য কারণে ও এই টাইপের রোগ হতে পারে। টাইফয়েড রোগ একটি ছোঁয়াচে এবং কঠিন রোগ। সারা দেশের নয় মাস বয়স থেকে ১৫ বছর বয়সী সব শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, যাদের জন্ম সনদ নেই তাদেরও টিকা দেওয়া হবে। তবে সে ক্ষেত্রে তাদের তথ্য বিস্তারিতভাবে সেন্টারগুলো কর্মকর্তাদের কাছে দিতে হবে।

মহাপরিচালক জানান, বিশ্বব্যাপী এই টিকা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ছাড়াই শিশুরা গ্রহণ করছে। পাকিস্তান, নেপাল ও বিভিন্ন দেশে এই টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

টাইফয়েড প্রতিরোধে বাংলাদেশে ব্যবহৃত টিসিভি টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে যাচাইকৃত। টিসিভি টিকা দেওয়ার পর সামান্য প্রতিক্রিয়া হতে পারে। যেমন : টিকা দেওয়ার স্থানে চামড়া লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া, সামান্য ব্যথা, অল্প জ্বর, মাথা ব্যাথা, ক্লান্তি ভাব এবং মাংসপেশিতে ব্যথা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে; যেগুলো এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।

মহাপরিচালক বলেন, টিকাদান ক্যাম্পেইন চলাকালে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি ও সমমান পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীকে স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত নয় মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিদ্যমান ইপিআই স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অ্যাডমিন ও প্লানিং, পরিচালক প্রশাসন ডাক্তার মোহাম্মদ আবু হানিফ, ইপিআই’র লাইন ডিরেক্টর ডাক্তার মো. আব্দুল্লাহ আল মুরাদসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কিউএনবি/অনিমা/১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, /সন্ধ্যা ৭:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit